বন্যার্তদের পাশে দাঁড়ানো ইবাদতের অংশ: মুফতি একরাম হোসেন


মানুষের দুঃখে পাশে দাঁড়ানো ইবাদতের একটি মহান অংশ উল্লেখ করে চট্টগ্রামের চার উপজেলার এক হাজার বন্যার্ত পরিবারকে খাদ্যসহায়তা দিয়েছে আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া পটিয়া মাদ্রাসা।

গত রোববার ও সোমবার দুই দিনব্যাপী চট্টগ্রামের পটিয়া, চন্দনাইশ, সাতকানিয়া ও বাঁশখালী উপজেলায় এই ত্রাণ বিতরণ করা হয়।

মাদ্রাসার মুহতামিম মুফতি একরাম হোসেন ওদুদী হাফিযাহুল্লাহর নেতৃত্বে একটি দল দুর্গতদের হাতে এই সহায়তা তুলে দেয়।

ত্রাণ বিতরণকালে মুফতি একরাম হোসেন ওদুদী হাফিযাহুল্লাহ বলেন, এটি কোনো অনুদান নয়, বরং খারাপ সময়ে দুর্গত মানুষের পাশে থাকা সবার দায়িত্ব।

তিনি আরও বলেন, আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া পটিয়ার ইতিহাস কেবল ইলম ও দীনের খেদমতের নয়, বরং মানবতার সেবারও এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়।

১৯৯১ সালের প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড়, দেশের বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং ২০২৪ সালের ভয়াবহ বন্যাসহ জাতীয় সংকটের প্রতিটি মুহূর্তে এই মাদ্রাসা মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

মানুষের প্রতি দয়া করার নববী আদর্শকে বুকে ধারণ করে সবাইকে বন্যার্তদের পাশে দাঁড়ানোর আকুল আহ্বান জানান তিনি।

ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে আরও উপস্থিত ছিলেন মাদ্রাসার নায়েবে মুহতামিম আল্লামা জাকারিয়া আজহারী এবং মাওলানা হাফেজ মাসুম।

এছাড়া মুফতি মনসুর সিদ্দিক, সলিমুদ্দিন মাহদী কাসেমী, আনিসুল হক এবং মাওলানা নাসির উদ্দিন কার্যক্রমে অংশ নেন।

পাশাপাশি মাওলানা ত্বকী ও মাওলানা সুহাইল কাসেমীসহ জামিয়ার অন্যান্য শিক্ষক, কর্মকর্তা ও স্বেচ্ছাসেবকরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন।