প্রাইভেটকারের গোপন চেম্বারে যেভাবে পাচার হচ্ছিল ইয়াবা


কক্সবাজার থেকে কিনে প্রাইভেটকারের বডিতে তৈরি করা বিশেষ গোপন চেম্বারে লুকিয়ে ঢাকায় নেওয়া হচ্ছিল ইয়াবার চালান।

শনিবার বিকেল ৪টার দিকে চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় সেই গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ১৬ হাজার ইয়াবাসহ দুই নারী ও দুই পুরুষকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চুনতী রেঞ্জ বন কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনের চেকপোস্টে এই অভিযান চালানো হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন ঝিনাইদহ জেলার শৈলকূপা উপজেলার উমেদপুর ইউনিয়নের বারইপাড়া গ্রামের পলাশ মাহমুদ এবং গাজীপুর মহানগরের গাছা থানাধীন পূর্ব কলমেরশর এলাকার মো. সজীব মিয়া। পলাশ মাহমুদের বয়স ৩৬ বছর এবং মো. সজীব মিয়ার বয়স ২৮ বছর।

গ্রেপ্তার হওয়া অপর দুই নারী হলেন নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার গড়াডোবা ইউনিয়নের বিদ্যাবল্লভ গ্রামের সাদিয়া আক্তার ও নুসরাত জাহান ইভা। সাদিয়া আক্তারের বয়স ২৪ বছর এবং নুসরাত জাহান ইভার বয়স ১৯ বছর।

লোহাগাড়া থানার এসআই গোবিন্দ দাস জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চট্টগ্রামমুখী ঢাকা মেট্রো-গ-৩১-৪৮৬৩ নম্বরের প্রাইভেটকারটিতে তল্লাশি চালানো হয়।

গাড়িটির বাঁ পাশের পেছনের সিটের চাকার ওপর বডির ভেতরে বিশেষ কৌশলে একটি গোপন চেম্বার তৈরি করা হয়েছিল। সেখানে লুকিয়ে রাখা অবস্থায় ১৬ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

এসআই গোবিন্দ দাস আরও জানান, ইয়াবাগুলো ওই প্রাইভেটকারে করে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত প্রাইভেটকারটি জব্দ করার পাশাপাশি ওই চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

লোহাগাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ বা ওসি মোহাম্মদ আবদুল্লাহ জানান, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

জব্দ করা প্রাইভেটকারটি বর্তমানে থানার হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের রোববার আদালতে সোপর্দ করা হবে বলেও জানান ওসি মোহাম্মদ আবদুল্লাহ।