৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে চাঁদাবাজির মামলা থামালেন যুবদল নেতা


সকাল তখন সাড়ে দশটা। কাফকোর অদূরে বন্দর সেন্টার এলাকায় ইউনাইটেড চট্টগ্রাম পাওয়ার লিমিটেডের (ইউসিপিএল) ভেতরে দিনের কাজ বুঝিয়ে দিতে যাচ্ছিলেন প্রকৌশলী শাহরিয়ার আমির। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স এফ এম এন্টারপ্রাইজের হয়ে তিনি ওই কারখানায় কাজ দেখভাল করেন। তাঁর অধীনে কাজ করেন ৩০ জন শ্রমিক।

গেটের কাছেই তাঁকে ঘিরে ধরেন স্থানীয় যুবদল নেতা আলী হোসেন ও তাঁর সহযোগীরা। গত ১২ আগস্ট, বুধবারের ওই ঘটনায় শাহরিয়ার আমিরকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। মারধরের কারণ হিসেবে ভুক্তভোগীরা যা বলছেন, তা এক লাইনের: চাঁদা দেননি।

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী, ওই দিন বেলা ১২টা ৩০ মিনিটে ২৯ বছর বয়সী শাহরিয়ার আমিরকে সেখানে চিকিৎসা দেওয়া হয়। প্রেসক্রিপশনে ‘পুলিশ কেইস’ সিল মারা রয়েছে।

কর্ণফুলী থানায় অভিযোগের পর দুপুরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে পুলিশের সামনেই প্রতিষ্ঠানের লোকজনের ওপর দ্বিতীয় দফা হামলা হয়। এতে গুরুতর আহত হন প্রকৌশলী শাহরিয়ার আমির ও প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী মো. দেলোয়ার হোসেন। হামলার শিকার হন প্রতিষ্ঠানের অংশীদার, সাংবাদিক জিন্নাত আয়ুবও।

সেদিনই দেলোয়ার হোসেন সাংবাদিকদের বলেছিলেন, আলী হোসেনসহ চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন এবং পুলিশ আইনগত ব্যবস্থার আশ্বাস দেওয়ায় তিনি প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন। একই দিন স্থানীয় সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল নিজামকে বিষয়টি জানানো হলে তিনি বলেছিলেন, বন্দর কমিউনিটি সেন্টারে আলী হোসেন নামে কোনো যুবদল নেতাকে তিনি চেনেন না, এবং ভুক্তভোগীদের আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দেন।

মামলা প্রক্রিয়াধীন থাকার এই আশ্বাস অবশ্য বেশিক্ষণ টেকেনি।

পুলিশের রুমেই বাধা

হামলার পর ভুক্তভোগীরা কর্ণফুলী থানায় গিয়ে মামলা করতে গেলে, বলছেন জিন্নাত আয়ুব, তাঁরা এক নজিরবিহীন পরিস্থিতির মুখোমুখি হন। মামলার আরজি লেখার সময় সাব-ইন্সপেক্টর তীর্থংকর দাসের রুমে ঢুকে সরাসরি বাধা দেন হারেছ আহমেদ ও অহিদুল ইসলাম চৌধুরী- মামলা না করার জন্য চাপ দিয়ে তাঁরা ভুক্তভোগীদের জোরপূর্বক তৎকালীন ওসির রুমে নিয়ে যান।

ওসির রুমে ঢোকার ঠিক আগে, রুমের বাইরে দাঁড়িয়ে অহিদুল ইসলাম চৌধুরী বুক ফুলিয়ে ঘোষণা দেন- বিষয়টি মিটমাট করার জন্য তাঁকে সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল নিজাম পাঠিয়েছেন।

ওসির রুমের ভেতরে হারেছ ও অহিদুল মামলা না নিয়ে বিষয়টি ধামাচাপা দিতে বলেন। তবে ওসি তখন স্পষ্ট অবস্থান নেন- ভিকটিম রাজি না হলে মামলা রেকর্ড হবে। এরপর তিনি সবাইকে আবার এসআই তীর্থংকরের রুমে ফিরিয়ে দেন।

সেখানেই ঘটে চূড়ান্ত ঘটনাটি। নিরুপায় হয়ে হারেছ ও অহিদুল তিনটি একশ-টাকার স্ট্যাম্পে- মোট তিনশ টাকার- সাক্ষী হিসেবে সই করে দেন, কোনো শর্ত না লিখেই, শেষ স্ট্যাম্পের নিচে শুধু নাম আর সই। ক্ষোভের সঙ্গে তাঁরা বলেন, “আপনারা যা ইচ্ছা লেখেন।”

স্ট্যাম্পে সাক্ষী হিসেবে চারজনের নাম-সই রয়েছে- ১) অহিদুল ইসলাম চৌধুরী ২) মো. মোকাদ্দেস মিঠু ৩) হারেছ আহমেদ ৪) মামুনুর রশিদ। এই তালিকার প্রথম ও তৃতীয় নাম দুটি সেই দুই ব্যক্তির, যাঁরা কিছুক্ষণ আগেই এই ঘটনায় অভিযুক্ত পক্ষ হয়ে থানায় ঢুকেছিলেন- শেষমেশ তাঁরাই নিজেদের সই দিয়ে সেই ‘মিটমাটের’ সাক্ষী বনে যান।

স্ট্যাম্পে সই হওয়ার পর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের একজন শুভাকাঙ্ক্ষী দেলোয়ার- অহিদুলের ফোন থেকেই- ওসিকে কল করে হারেছ-অহিদুলের এই ‘অতি-তৎপরতার’ কথা জানান এবং সরাসরি বলেন, পরে আবার কোনো ঝামেলা হলে তাঁরা মামলায় যাবেন। এসআই তীর্থংকর দাসও তখন আশ্বস্ত করেন- দুই দিনের মধ্যে সমস্যা হলে এসে মামলা করলে তারা তা নেবেন।

পুরো ঘটনার একটি ভিডিও এসআই তীর্থংকর দাস নিজেই ধারণ করে রাখেন। এ ছাড়া ভুক্তভোগীদের কাছেও একটি ভিডিও ফুটেজ সংরক্ষিত আছে, যা এই তদবির ও বাধার প্রমাণ বলে তাঁরা দাবি করছেন।

‘পঞ্চাশ শতাংশ’ চাওয়ার সেই বৈঠক

ঘটনার শুরু আরও আগে। এফ এম এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী দেলোয়ার হোসেন বলেন, তাঁদের প্রতিষ্ঠানটি আনোয়ারার একটি পাওয়ার প্লান্টে সম্পূর্ণ নিয়ম মেনে ম্যানপাওয়ার সাপ্লাই ও কনস্ট্রাকশনের কাজ করে আসছিল। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে হারেছ, তাঁর ভাতিজা মহিন এবং আলী হোসেন তাঁদের এই বৈধ ব্যবসার ওপর নজর দেন এবং লাভের পঞ্চাশ শতাংশ চাঁদা হিসেবে দাবি করতে থাকেন।

সেই দাবির একটি বৈঠকের ভিডিও ফুটেজ একুশে পত্রিকার হাতে রয়েছে। ফুটেজে আলী হোসেনকে বলতে শোনা যায়, এলাকার মানুষ বেকার, কিন্তু কারখানায় কাজ পেতে তাদের লাইসেন্স বা অভিজ্ঞতা নেই- এমনকি সংসদ সদস্যের সুপারিশেও কারখানা কর্তৃপক্ষ অভিজ্ঞতা খোঁজে। ঠিকাদার পক্ষকে বলতে শোনা যায়, ৬০ লাখ টাকার কাজের বিপরীতে তিনি এক পয়সাও দেবেন না, প্রয়োজনে কাজ বন্ধ রাখবেন।

“পঞ্চাশ শতাংশ দিয়ে দিলে ৩০ জন শ্রমিকের বেতন বাড়ি থেকে এনে দিতে হবে,” বলেন জিন্নাত আয়ুব। চাঁদা দিতে না পারলে বাঁশখালীতে গিয়ে কাজ করার পরামর্শও দেওয়া হয় বলে তাঁর অভিযোগ। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতির জেরেই ১২ আগস্ট হামলা হয় বলে ভুক্তভোগীদের দাবি।

আইনজীবীরা যা বলছেন

স্ট্যাম্পে সই নেওয়ার আইনি অবস্থান জানতে একুশে পত্রিকা কথা বলেছে দুজন আইনজীবীর সঙ্গে।

চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সুজন চট্টগ্রামের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আখতার কবির চৌধুরী বলেন, ব্ল্যাংক বা সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার কোনো আইনি ভিত্তি নেই। এটি অনৈতিক, অন্যায় ও জঘন্য একটি কাজ। অলিখিত স্ট্যাম্প যেকোনো সময় অপব্যবহার হতে পারে, স্বাক্ষরদাতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, মারধরের শিকার ব্যক্তি এখনো আইনি অধিকার বলে মামলা করতে পারবেন। সাদা স্ট্যাম্পের মাধ্যমে কোনো নিষ্পত্তি আইনগতভাবে কার্যকর নয়।

চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য ও হাইকোর্ট বিভাগের আইনজীবী মামুনুল হক চৌধুরী আরও এক ধাপ এগিয়ে বলেন, খালি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়া নিজেই দণ্ডবিধির ৩৮৫/৩৮৬ ধারার অপরাধ। চাঁদার দাবিতে মারধর আপসঅযোগ্য অপরাধ, আর জোরপূর্বক আপস করানোও একটি পৃথক অপরাধ।

যা বললেন সবাই

দাবিগুলোর সত্যতা যাচাইয়ে একুশে পত্রিকা কথা বলেছে সংসদ সদস্য, কর্ণফুলী থানার ওসি, যুবদল আহ্বায়ক হারেছ আহমেদ ও সাবেক ছাত্রদল নেতা অহিদুল ইসলাম চৌধুরীর সঙ্গে।

সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল নিজামকে বারবার সরাসরি জিজ্ঞাসা করা হয়, ১২ আগস্ট হারেছ ও অহিদুলকে তিনি কর্ণফুলী থানায় পাঠিয়েছিলেন কি না। প্রতিবারই তিনি প্রশ্নটি এড়িয়ে একই জবাব দেন- “যেটা হয় সেটা করেন।” দাবিটি তিনি অস্বীকারও করেননি, স্বীকারও করেননি।

কর্ণফুলী থানার ওসি ইখতিয়ার উদ্দিনকে একই প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি তাঁর জানা নেই এবং স্ট্যাম্পের ঘটনার সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। তবে জিন্নাত আয়ুব ও দেলোয়ার হোসেনের বিস্তারিত বিবরণ অনুযায়ী, স্ট্যাম্পে সই করাতে ভুক্তভোগীদের এসআইয়ের রুমে ফিরিয়ে পাঠিয়েছিলেন তিনি নিজেই, এবং দেলোয়ারের ফোনকলে হারেছ-অহিদুলের ‘অতি-তৎপরতার’ কথাও তাঁকে সরাসরি জানানো হয়েছিল। ওসির দাবি ও ভুক্তভোগীদের বিবরণের মধ্যে এই ফারাক প্রতিবেদনে উভয়ভাবে তুলে ধরা হলো।

শনিবার বেলা ১২ টার দিকে ফোনে হারেছ আহমেদের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমি একটু অফিসে আছি ভাই, একটু পরে ফোন দিচ্ছি।” ঘন্টাখানেক পর থেকে তাকে বারবার কল করা হলেও ধরেননি। এই প্রতিবেদন প্রকাশ পর্যন্ত তিনিও নিজে থেকে আর যোগাযোগ করেননি। অহিদুল ইসলাম চৌধুরীর বক্তব্য জানতে বারবার কল করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

কে এই হারেছ আহমেদ

হারেছ আহমদ আনোয়ারা উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক, বাড়ি বৈরাগ এলাকায়।

আনোয়ারার দুজন শীর্ষ বিএনপি নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে একুশে পত্রিকাকে বলেন, হারেছ আহমেদ দলীয় পদ ব্যবহার করে শিল্পবলয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। তাঁদের অভিযোগ, তিনি আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ এক ঠিকাদারের সঙ্গে সমঝোতা করে জুট ব্যবসা থেকে মাসোহারা নিচ্ছেন এবং কোরিয়ান ইপিজেডে (কেইপিজেড) গাড়ি ও এক্সকাভেটর সরবরাহের ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করছেন।

দলের ভেতরেও হারেছ আহমেদকে নিয়ে অস্বস্তি নতুন নয়। একটি সূত্রের ভাষ্য, সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল নিজাম ব্যক্তিগতভাবে হারেছ আহমেদকে পছন্দ করেন না এবং কয়েক মাস আগে তাঁকে বহিষ্কারের একটি উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, যা পরে একজন নেতার অনুরোধে থেমে যায়।

কেইপিজেডে যা ঘটেছিল

কিছুদিন আগে হারেছ আহমেদ লোকজন নিয়ে কেইপিজেডের ভেতরে ঢুকে এক কর্মকর্তার কক্ষে গিয়ে হইচই করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। কেইপিজেডের আওতাধীন কেএসআইয়ের ১৫ নম্বর ভবনের এজিএম আরিফুল সত্যতা স্বীকার করলেও বিস্তারিত বলতে রাজি হননি। “আমাদের কিছু কারখানা পলিসি আছে, তাই বিস্তারিত মুখ খুলতে পারব না,” বলেন তিনি।

মিটমাটের পরও প্রাণনাশের হুমকি

মিটমাটের পরদিন থেকেই হারেছের অনুসারী লোকজন ফেসবুকে জিন্নাত আয়ুবের বিরুদ্ধে অপপ্রচার শুরু করেন- তিনি আনোয়ারার সব ব্যবসা একাই দখল করছেন বলে প্রচার চালানো হয়, যদিও প্রতিষ্ঠানটি একটি পাওয়ার প্লান্টে সীমিত ম্যানপাওয়ার সাপ্লাই ও কনস্ট্রাকশনের কাজ করে মাত্র।

জিন্নাত আয়ুবের ভাষ্য অনুযায়ী, চাঁদা না পেয়ে এবং নিজেদের কর্মকাণ্ড ফাঁস হওয়ার আশঙ্কায় হারেছ ও তাঁর ভাতিজা মহিন এখন বিভিন্ন ফেসবুক আইডি থেকে তাঁদের প্রাণনাশ ও হত্যার হুমকি দিচ্ছেন। হারেছ আহমেদের ভাতিজা পরিচয়ে পরিচিত মহিন উদ্দিন নিজের আইডি থেকে জিন্নাত আয়ুবের ছবি দিয়ে হুমকিমূলক পোস্টও দিয়েছেন, যার স্ক্রিনশট একুশে পত্রিকার সংরক্ষণে আছে।

স্বার্থের সংঘাত: পাঠককে যা জানানো প্রয়োজন

এই ঘটনার একজন ভুক্তভোগী জিন্নাত আয়ুব একুশে পত্রিকার আনোয়ারা-কর্ণফুলী প্রতিনিধি এবং একই সঙ্গে মেসার্স এফ এম এন্টারপ্রাইজের একজন অংশীদার। স্বার্থের সংঘাত এড়াতে এই প্রতিবেদনের তথ্য সংগ্রহ, সাক্ষাৎকার গ্রহণ ও যাচাইয়ের কাজ করেছেন একুশে পত্রিকার ভিন্ন একজন প্রতিবেদক। জিন্নাত আয়ুব এখানে একজন সূত্র ও ভুক্তভোগী হিসেবে বক্তব্য দিয়েছেন। প্রতিবেদন তৈরিতে তাঁর কোনো ভূমিকা ছিল না। তাঁর বিবরণের গুরুত্বপূর্ণ অংশ প্রতিষ্ঠান-মালিক দেলোয়ার হোসেনের পৃথক বক্তব্যে সমর্থিত হয়েছে।

প্রশ্নের জবাবে যা মেলেনি

কর্ণফুলী-আনোয়ারার এই শিল্পবলয়ে ইউসিপিএল, কাফকো, কেইপিজেডসহ বড় কারখানাগুলো ঘিরে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার ঠিকাদারি কাজ হয়। সেই কাজের ভাগ কে পাবে, তা ঠিক হচ্ছে দরপত্রে নয়- কারখানার ফটকে, বৈঠকে, আর থানার এক কক্ষ থেকে আরেক কক্ষে।

তিনশ টাকার তিনটি সাদা স্ট্যাম্পে চারটি সই- তার দুটি খোদ অভিযুক্তদের নিজের- একটি ফৌজদারি অভিযোগকে থামিয়ে দিয়েছিল। প্রশ্ন করা হলে সংসদ সদস্য বলেছেন, “যেটা হয় সেটা করেন।” ওসি বলেছেন, তাঁর জানা নেই। ঘটনাস্থলে যাঁরা ছিলেন, তাঁদের ভাষ্য বলছে ভিন্ন কথা।

মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছেন ৩০ জন শ্রমিক, যাঁদের মজুরি এই টানাপোড়েনের মধ্যে ঝুলে থাকে- আর একজন সংবাদকর্মী, যিনি এখন প্রাণনাশের হুমকি মাথায় নিয়ে নিজের এলাকাতেই নিরাপত্তাহীন।

(প্রতিবেদনটি চলমান। এ বিষয়ে তথ্য থাকলে একুশে পত্রিকার সঙ্গে যোগাযোগ করুন, info@ekusheypatrika.com এই ইমেইলে)