
প্রতিযোগিতা সংকুচিত হওয়ার তিনটি পথ- টাকার অঙ্ক, সময়ের দৈর্ঘ্য আর পণ্যের নাম। তিনটির জন্যই ক্রয়বিধিমালায় সুনির্দিষ্ট বাধা আছে। কোথায় কী লেখা, এক নজরে।
বিধি ২৫(৬)– ক্রয়কারী “কোনো নির্দিষ্ট ক্রয়পদ্ধতি বা উর্ধ্বতন কর্মকর্তার অনুমোদনের বাধ্যবাধকতা পরিহারের উদ্দেশ্যে” ক্রয়চাহিদা ছোট ছোট প্যাকেজে ভাগ করিবে না।
বিধি ২৫(৮)– ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে প্যাকেজ আলাদা করার ছাড়টি কেবল কার্য-চুক্তির ক্ষেত্রে; পণ্যক্রয়ে নয়।
বিধি ৯০(৪)(ক)– কোটেশনে প্রতিযোগিতা পরিহারের উদ্দেশ্যে “সম্ভাব্য বৃহদাকার চুক্তিকে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ভাগ করা যাইবে না”।
তফসিল-২ (বিধি ৯০(১))– জেলা পর্যায়ের দপ্তরে পরিচালন বাজেটে কোটেশনে কার্য-ক্রয় প্রতিটি ক্ষেত্রে অনধিক ৮ লাখ, বছরে সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা; পণ্যক্রয়ে প্রতিটি ক্ষেত্রে ৫ লাখ, বছরে ২৫ লাখ।
তফসিল-২ (বিধি ৮১(৫))– সীমিত দরপত্রে (এলটিএম) দর প্রণয়ন ও দাখিলের সময় স্বাভাবিক ক্ষেত্রে ন্যূনতম ১০ দিন; পুনঃদরপত্রে ৭ দিন; ৫ দিনের কম কেবল প্রাকৃতিক দুর্যোগে, কার্যালয় প্রধানের অনুমোদনসহ।
বিধি ৩৮(৩) ও ৩৮(৪)– কারিগরি বিনির্দেশে সুনির্দিষ্ট ব্র্যান্ডের নাম উল্লেখ করা যাবে না; ব্যতিক্রমেও সঙ্গে “বা সমতুল্য” লিখতে হবে।
বিধি ৯৯(১)(ঠ)– “প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা অনুরূপ সংকট মোকাবেলায়” সরাসরি ক্রয়ের সুযোগ; কারণ লিপিবদ্ধ করে, কার্যালয় প্রধানের অনুমোদন নিয়ে।
যা দাঁড়ায়। বিধিগুলো ভাগ করাকে নিষেধ করেনি। নিষেধ করেছে “প্রতিযোগিতা পরিহারের উদ্দেশ্যে” ভাগ করাকে। অর্থাৎ বৈধতা নির্ভর করছে উদ্দেশ্যের ওপর। আর এই অনুসন্ধানে দেখা গেছে, উদ্দেশ্যটি ব্যবস্থার কোনো স্তরেই কেউ যাচাই করেন না।
মূল প্রতিবেদন: ‘তিন থেকে পাঁচটা লাইসেন্স আমরাই বেছে দিই, অন্য কেউ দেখবেও না’
