- ফিতির মোল্লার বাড়ির সড়কের সরেজমিন পরিদর্শনের সময় স্থানীয় বাসিন্দা ও শিশুরা। যে স্থানে তারা দাঁড়িয়ে আছেন, সেখানে গাইড ওয়াল নির্মাণ হওয়ার কথা ছিল। স্থানীয়রা বলছেন কাজ হয়নি। এই কাজের ঠিকাদার তাহাসিন এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী রওশন আক্তার একেকবার একেক তথ্য দিচ্ছেন।
২৩ জুলাই মুঠোফোনে তাহাসিন এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী রওশন আক্তারের সঙ্গে কথা হয়। চাতরীর দশ কাজের চুক্তিটি তাঁরই।
প্রথম হিসাব: “নয়টা কাজ শেষ করছি। শেষ করা অবস্থায় বৃষ্টি শুরু হয়ে গেছে তো… ওখানে তো আমার সম্পূর্ণ কাজ অনেক রয়ে গেছে। মাটি দেওয়ার কাজ বাকি রয়ে গেছে, নাম ফলক বাকি রয়ে গেছে। আমি জাস্ট রানিং বিল নিছি আর কি, কিছুটা।”
দ্বিতীয় হিসাব, কয়েক মিনিট পর, দুটি গাইড ওয়ালের প্রসঙ্গ ওঠার পর: “না না, এগুলো তো হয় নাই… বৃষ্টি শুরু হওয়ার কারণে আর করতে পারি নাই তো।” একটাও হয়নি? “না না, একটাও হয় নাই।”
দশটির নয়টি শেষ হলে বাকি থাকে একটি। তিনি নিজেই বলছেন দুটি হয়নি। দুই হিসাব একসঙ্গে মেলে না।
তারিখ প্রসঙ্গে তাঁর অবস্থান: “ইজিপিতে চুক্তির নথিতে তারিখ কী লেখা আছে না আছে- এসব সরকারি অফিসের বিষয়, তারাই কাজটি করে।”
বক্তব্যটি গুরুত্বপূর্ণ। ই-জিপির প্রকাশিত পাতাটি ঠিকাদার তৈরি করেন না; তথ্য তোলেন ক্রয়কারী দপ্তরের কর্মকর্তারা। ফলে তারিখের ঘরে যা বসে, তার দায় ঠিকাদারের নয়- যদিও ফল ভোগ করেন কাজের এলাকার মানুষ।
মূল প্রতিবেদন: চুক্তির আগেই ১৪৪ প্রকল্পের কাজ শেষ!

