
আমদানি করা মেয়াদোত্তীর্ণ বেবি ডায়াপারের মেয়াদ মুছে নতুন তারিখ বসিয়ে বাজারজাত করার অপরাধে চট্টগ্রামের পটিয়ায় হাক্কানিয়া পেপার মিলকে দুই লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
একই সঙ্গে ওই প্রতিষ্ঠানের মজুত থেকে প্রায় ৩২ লাখ টাকা মূল্যের ২০ হাজার পিস মেয়াদোত্তীর্ণ বেবি ডায়াপার জব্দ করে ধ্বংস করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
বৃহস্পতিবার দুপুরে পটিয়া উপজেলার পাঁচুরিয়া ও হালিম খাঁর চর এলাকায় এই বাজার তদারকি অভিযান পরিচালিত হয়।
জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয় এবং পটিয়া থানা পুলিশ যৌথভাবে এই অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে পাঁচুরিয়া হালিম খাঁর চর এলাকায় অবস্থিত হাক্কানিয়া পেপার অ্যান্ড পাল্প মিলে জালিয়াতির বিষয়টি ধরা পড়ে।
সংস্থাটি জানায়, প্রতিষ্ঠানটি আমদানি করা বেবি ডায়াপারের মেয়াদ ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে শেষ হওয়ার পর কৌশলে তা মুছে ফেলেছিল।
এরপর তারা সেখানে জালিয়াতি করে ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি ও ২০২৮ সালের ডিসেম্বরের নতুন মেয়াদ বসিয়ে বাজারে বিক্রি করে আসছিল।
এই অপরাধে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী ওই প্রতিষ্ঠানকে আড়াই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
এছাড়া অপরিচ্ছন্ন ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার প্রস্তুত করার অপরাধে হাবিলাসদ্বীপ ইউনিয়নের পাঁচুরিয়া মোড় এলাকার খাজা হোটেলকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
একই এলাকার ক্যাফে ফুলবন নামের অপর একটি হোটেলকে পণ্যের মেয়াদ যথাযথভাবে উল্লেখ না করা এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের কারণে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এই অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ ফয়েজ উল্যাহ এবং সহকারী পরিচালক মো. আনিছুর রহমান।
অভিযানের বিষয়ে সহকারী পরিচালক মো. আনিছুর রহমান জানান, নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে এই তদারকি পরিচালনা করা হয়েছে।
ভোক্তাদের স্বার্থ সংরক্ষণে জনস্বার্থে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি নিশ্চিত করেন।
