ফটিকছড়িতে মাইজভাণ্ডারের ওরসে সড়কে পার্কিং, তীব্র যানজটে দুর্ভোগ


চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে মাইজভাণ্ডারে আসা ভক্তদের গাড়ি সড়কের দুই পাশে এলোপাতাড়ি পার্কিং করার কারণে নাজিরহাট-বিনাজুরি সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

শুক্রবার সকাল আটটা থেকে শুরু হওয়া এই যানজট বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আরও তীব্র হয়ে ওঠে।

এর ফলে সড়কের কয়েকটি অংশে যান চলাচল প্রায় পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায় এবং উভয় পাশে দীর্ঘ যানবাহনের সারি তৈরি হয়।

গাউছুল আজম হযরত মাওলানা শাহ সুফি সৈয়দ গোলামুর রহমান মাইজভাণ্ডারী (ক.) বা বাবা ভান্ডারীর পবিত্র খোশরোজ শরীফ উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বিপুলসংখ্যক ভক্ত সেখানে জড়ো হয়েছেন।

ভক্তদের বহনকারী বাস, মিনিবাস, মাইক্রোবাস ও ব্যক্তিগত গাড়ি সড়কের দুই পাশে রাখায় এই যানজটের সৃষ্টি হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানান।

যানজটের কারণে ফটিকছড়ি উপজেলার লেলাং, নানুপুর, খিরাম ও নাজিরহাট পৌরসভাসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দাদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

বিশেষ করে কর্মজীবী মানুষ, শিক্ষার্থী ও রোগী বহনকারী যানবাহন দীর্ঘ সময় সড়কে আটকে থাকে।

স্থানীয় বাসিন্দা রফিক উদ্দিন জানান, মাইজভাণ্ডারকেন্দ্রিক বড় কোনো আয়োজনের সময় এই সড়কে যানজটের আশঙ্কা থাকে।

তবে এবার আগাম যানবাহন ব্যবস্থাপনা ও নির্ধারিত স্থানে পার্কিংয়ের ব্যবস্থা না থাকায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

মাইজভান্ডারে আসা ভক্ত মুত্তাকিম মিয়া জানান, খোশরোজ শরীফের উদ্দেশ্যে এসে গাড়ি ঢুকতে না পারায় নাজিরহাট ঝংকার মোড় থেকে তাঁকে হেঁটে গন্তব্যে পৌঁছাতে হয়েছে।

এদিকে যানজট নিরসনে দ্রুত সড়কের দুই পাশ থেকে পার্ক করা গাড়ি সরিয়ে নেওয়া এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

নাজিরহাট হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক বা এসআই মো. আজিজ জানান, যানজট নিরসনে নাজিরহাট হাইওয়ে পুলিশ ও জেলা পুলিশের দুটি দল কাজ করছে।

তিনি দ্রুতই যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন।