
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে অতীত রাজনৈতিক ছবি সংযুক্ত করে মন্তব্য করায় চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে মো. মোবারক নামের এক স্বেচ্ছাসেবক দল কর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে।
এই অভিযোগ উঠেছে ছনুয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক জাকের উল্লাহর বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগী ২৩ বছর বয়সী মো. মোবারক ছনুয়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের একজন সদস্য।
বুধবার সকালে ছনুয়া ইউনিয়নের মনুমিয়াজী বাজারে একটি ফার্নিচারের দোকানে কাজ করার সময় এই মারধরের ঘটনা ঘটে।
আহত মো. মোবারক বাঁশখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন এবং এ ঘটনায় বাঁশখালী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগের সূত্রে জানা যায়, ছনুয়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি কফিল উদ্দিনের একটি ফেসবুক পোস্টে জাকের উল্লাহর ছবিযুক্ত মন্তব্য করেছিলেন মো. মোবারক।
ওই মন্তব্যে সাবেক সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী ও ছনুয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি জিল্লুল করিম শরীফির সঙ্গে জাকের উল্লাহর বিভিন্ন ছবি যুক্ত করা হয়েছিল।
এর জের ধরে বুধবার সকালে মনুমিয়াজী বাজারে মো. মোবারকের দোকানের সামনে গিয়ে জাকের উল্লাহ কথা-কাটাকাটিতে জড়ান এবং একপর্যায়ে তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন।
মারধরের কারণে ওই স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মীর কানে এবং বুকে-পিঠে মারাত্মক জখম হয়েছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
মো. মোবারক অভিযোগ করেন, ছনুয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান এক বিএনপি নেতার আশ্রয়-প্রশ্রয়ে গত ৫ আগস্টের পর থেকে জাকের উল্লাহ বিএনপির রাজনীতি শুরু করেছেন।
একইসঙ্গে জাকের উল্লাহ উপকূলীয় বেড়িবাঁধে চলমান প্রকল্পে বিভিন্নভাবে প্রভাব বিস্তার করছেন বলেও দাবি করেন মো. মোবারক।
অভিযুক্ত জাকের উল্লাহ ছনুয়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাতেবপাড়ার মৃত আবদুল কাদেরের ছেলে এবং ভুক্তভোগী মো. মোবারক ৫ নম্বর ওয়ার্ডের শিব্বির আহমদের ছেলে।
মারধরের অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে জাকের উল্লাহকে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল হক একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়ার কথা নিশ্চিত করে জানান, তদন্ত সাপেক্ষে এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
