
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের এক কর্মীর বদলি বাতিলে তদবিরের অভিযোগে প্রকাশিত সংবাদকে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত আখ্যা দিয়েছেন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) চট্টগ্রাম জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডা. বেলায়েত হোসেন ঢালী।
আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সংবাদটি অপসারণ ও সংশোধনী প্রকাশ করা না হলে মানহানির মামলাসহ কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রতিবাদলিপিতে তিনি এই দাবি জানান।
প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, সম্প্রতি কয়েকটি অনলাইন পোর্টালে চমেক হাসপাতালের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ল্যাব) এস এম বশির উদ্দিনের বদলি বাতিল নিয়ে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়।
‘৫১ দিন পর বদলি বাতিল, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (চমেক) আবারও স্বপদে বশির: বদলি ঠেকাতে তদবিরের অভিযোগ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে প্রভাব খাটানোর প্রশ্ন’ শিরোনামে প্রকাশিত ওই সংবাদে ভিত্তিহীন তথ্য দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়।
অধ্যাপক ডা. বেলায়েত হোসেন ঢালী জানান, এস এম বশির উদ্দিনের বদলি আদেশ বাতিল বা পুনর্বহালের বিষয়ে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার কিংবা তিনি কোনো তদবির বা সুপারিশ করেননি।
এই ঘটনার সঙ্গে তাঁদের কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা বা রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা নেই বলেও তিনি স্পষ্ট করেন।
কোনো অভিযোগ প্রকাশের আগে তথ্য যাচাই ও অভিযুক্ত ব্যক্তির বক্তব্য নেওয়া সাংবাদিকতার মৌলিক শর্ত হলেও এক্ষেত্রে তা মানা হয়নি বলে তিনি অভিযোগ করেন।
প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, সংবাদের মধ্যেই প্রতিবেদক অভিযোগের পক্ষে সুনির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ না থাকার কথা উল্লেখ করেছেন।
এরপরও ভিত্তিহীনভাবে নাম জড়িয়ে সংবাদ প্রকাশ করার মাধ্যমে তাঁদের সামাজিক, পেশাগত ও রাজনৈতিক সুনাম ক্ষুণ্ণ করার অপচেষ্টা করা হয়েছে।
অধ্যাপক ডা. বেলায়েত হোসেন ঢালী অভিযোগ করেন, এই মিথ্যা সংবাদ শুধু তাঁদের ব্যক্তিগত সুনাম নয়, ড্যাবের মতো একটি পেশাজীবী সংগঠনের ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।
সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমগুলো ভুল বুঝতে পেরে পেশাদারিত্বের পরিচয় দেবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
