
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের এক কর্মীর বদলি বাতিলে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) দুই নেতার তদবিরের অভিযোগে প্রকাশিত একটি সংবাদকে ‘মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’ দাবি করে প্রতিবাদ জানিয়েছেন সংগঠনটির পাঁচ নেতা। তাঁরা আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সংবাদটি অপসারণ ও সংশোধনী প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন। অন্যথায় মানহানির মামলাসহ কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তাঁরা।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ প্রতিবাদলিপিতে এ দাবি জানানো হয়।
প্রতিবাদলিপিতে স্বাক্ষর করেছেন ড্যাবের চমেক শাখার সভাপতি অধ্যাপক ডা. জসিম উদ্দীন, চট্টগ্রাম জেলা শাখার সভাপতি অধ্যাপক ডা. তমিজউদ্দিন আহমেদ মানিক, চট্টগ্রাম মহানগর শাখার সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. আব্বাস উদ্দীন, চমেক শাখার সাধারণ সম্পাদক ডা. ফয়েজুর রহমান এবং চট্টগ্রাম মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক ডা. ইফতেখারুল ইসলাম লিটন।
প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, চমেক হাসপাতালের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট এস এম বশির উদ্দিনের বদলি বাতিল বা বহাল রাখার বিষয়ে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ড্যাবের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার এবং ড্যাব চট্টগ্রাম জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডা. বেলায়েত হোসেন ঢালীর বিরুদ্ধে তদবির ও প্রভাব খাটানোর যে অভিযোগ প্রকাশিত সংবাদে করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।
ড্যাব নেতারা দাবি করেন, বশির উদ্দিনের বদলির বিষয়ে ফরহাদ হালিম ডোনার বা বেলায়েত হোসেন ঢালী কোনো ধরনের তদবির বা প্রভাব বিস্তার করেননি।
প্রতিবাদলিপিতে আরও বলা হয়, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য না নিয়ে এবং তথ্য যাচাই না করেই সংবাদটি প্রকাশ করা হয়েছে। এমনকি প্রতিবেদনে অভিযোগের পক্ষে সুনির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ নেই—এমন বিষয়ও উল্লেখ করা হয়েছে বলে দাবি করেন তাঁরা।
ড্যাব নেতাদের ভাষ্য, প্রমাণ ছাড়া দুজনের নাম ব্যবহার করে চাঞ্চল্য তৈরির উদ্দেশ্যে সংবাদ প্রকাশ করা সাংবাদিকতার নীতির পরিপন্থী। তাঁরা এ ধরনের সাংবাদিকতাকে ‘হলুদ সাংবাদিকতা’ বলে অভিহিত করেন।
প্রতিবাদলিপিতে আরও বলা হয়, ওই সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার ও অধ্যাপক ডা. বেলায়েত হোসেন ঢালীর ব্যক্তিগত সুনামের পাশাপাশি ড্যাবের সামাজিক ও রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করা হয়েছে।
তাই ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রকাশিত সংবাদটি অনলাইন থেকে অপসারণ এবং সংশোধনী প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন ড্যাবের পাঁচ নেতা। তাঁদের দাবি পূরণ না হলে সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে মানহানির মামলাসহ কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে প্রতিবাদলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
