ঢাকা: গুলশানে স্প্যানিশ রেস্তোরাঁ হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলার তদন্ত পুলিশই করতে পারে। তবে কারিগরি সহায়তার জন্য ইতোমধ্যে ভারত, আমেরিকা ও সিঙ্গাপুরে যোগাযোগ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া।
শনিবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন ডিএমপি কমিশিনার।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘আমাদের চৌকস পুলিশ অফিসার রয়েছে। তারাই গুলশানের ঘটনায় দায়ের করা মামলা তদন্ত করবে। তবে মামলার তদন্তের স্বার্থে কিংবা বিভিন্ন বিষয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার স্বার্থে প্রয়োজনে সিঙ্গাপুর, ভারত ও আমেরিকার সহযোগিতা নেয়া হবে।’
তিনি বলেন, ‘গুলশানের হামলার ঘটনা আইনশৃঙ্খলার কোনো বিষয় নয়। এটা জাতীয় সমস্যা। এই সমস্যার উত্তরণে একযোগে সবাইকে কাজ করতে হবে।’
আছাদুজ্জামান মিয়া আরও বলেন, ‘ঈদের ছুটিতে রাজধানীতে বড় কোনো ধরনের ঘটনা ঘটেনি। চুরি-ডাকাতির ঘটনাও নেই। ঈদকে কেন্দ্রে করে বিপণিবিতান, শপিং মল, বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘রাজধানীবাসীর নিরাপত্তার স্বার্থে আমরা এবার পুলিশ সদস্যদের ঈদের ছুটিতে বাড়ি যাওয়াকে যতটা সম্ভব নিরুৎসাহিত করেছি। বিভিন্ন স্থানে চেকপোস্ট বসানো হচ্ছে। তল্লাশি চালানো হচ্ছে।’
গুলশানের ঘটনা বাংলাদেশে নতুন উল্লেখ করে কমিশনার বলেন, ‘এর আগে বাংলাদেশে এমন ঘটনা ঘটেনি। আগামীতে যাতে এ ধরনের ঘটনা না ঘটে সেজন্য আমাদের ‘ওয়ে অব অ্যাকশন’ ও ‘মুড অব অ্যাকশন’ ঢেলে সাজানো হচ্ছে।’
ডিএমপি কমিশনার জানান, গুলশানের ওই হামলার ঘটনায় রেস্তোরাঁ থেকে মোট ৩২ জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছিল। আর সন্ত্রাসীরা সবাই নিহত হয়েছে।
ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা ঘটলে ছাড় দেয়া হবে না উল্লেখ করে কমিশনার বলেন, ‘বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ মোকাবিলায় জাতীয় ঐক্যও দরকার। আমাদের সাংবাদিক, ইমাম, শিক্ষকরা সহযোগিতা করতে পারেন। যে যার স্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা প্রয়োজন।’
