চট্টগ্রাম : চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, বাংলাদেশকে একটি অস্থিতিশীল রাষ্ট্র হিসেবে পরিণত করার জন্য,সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার জন্য বিএনপি যা যা করা দরকার সব করেছে। এবার নির্বাচনে বিএনপি ক্ষমতায় এলে আমাদের অস্তিত্ব সংকট হবে। তাদের হিংস্র দৃষ্টি থেকে কারোই মুক্তি মিলবে না। মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ লোককে হত্যা করেছিল পাকিস্তানিরা। এবার বিএনপি ক্ষমতায় এলে ৫০ লক্ষ লোককে হত্যা করবে।
রোববার বিকেলে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের ২৫ মার্চ জাতীয় গণহত্যা দিবসের আলোচনা সভায় সিটি মেয়র একথা বলেন।
মেয়র বলেন, সংগঠনের ব্যানারে আমাদের কোনো ব্যক্তিপছন্দ থাকতে পারে না। একমাত্র মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা যাকে নির্বাচন করার জন্য মনোনীত করবেন, তার পক্ষেই আমাদেরকে কাজ করতে হবে। মনে রাখতে হবে আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিজয় ভিন্ন দেশ উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষার্থে আর কোনো বিকল্প নেই। ষড়যন্ত্র থেমে নেই। ১৯৭১’র মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জনের পরও ষড়যন্ত্র থেমে থাকেনি। ৩০ লক্ষ শহীদের জীবন নেয়ার পরও ষড়যন্ত্রকারীদের ষড়যন্ত্র থেমে ছিল না। মহান বিজয়ের তিন বছরের মাথায় সুপরিকল্পিতভাবে স্বাধীনতাবিরোধীরা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করে।
তিনি আরো বলেন, পদ নিয়ে যারা সংগঠনে নেতার আসন নিয়ে বসে আছেন,সভা সমিতিতে সুন্দর সুন্দর কথা বলছেন; তাদেরকে বলি দলের জন্য আপনারা বাস্তবিক অর্থে কী করছেন?
সংগঠনকে শক্তিশালী, গতিশীল করা এবং জনসম্পৃক্তকরণের জন্য আপনারা কী কাজ করেছেন? কতটুকু করেছেন তা সংগঠন ওয়াকিবহাল আছে।পদ নিয়ে যদি আন্তরিকভাবে কাজ না করেন তাহলে সসম্মানে পদ ছেড়ে দিন।
চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সাংগঠনিক সম্পাদক নোমান আল মাহমুদের সঞ্চালনায় সভায় আরো বক্তব্য রাখেন- চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি নঈম উদ্দিন আহমেদ, খোরশেদ আলম সুজন, যুগ্ম সম্পাদক এম এ রশিদ, আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী, তথ্য সম্পাদক চন্দন ধর, নগর আওয়ামী লীগ নেতা কামরুল হাসান ভুলূ, নগর শ্রমিক লীগ সভাপতি বখতেয়ার উদ্দিন খান, অধ্যক্ষ আসলাম হোসেন, কাউন্সিলর গিয়াস উদ্দিন, নগর ছাত্রলীগ সভাপতি ইমরান আহমেদ ইমু প্রমুখ।
