শুক্রবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯, ৮ ভাদ্র ১৪২৬

গাড়ীর হেলপার থেকে কোটিপতি ইয়াবা ব্যবসায়ী

প্রকাশিতঃ রবিবার, এপ্রিল ৮, ২০১৮, ৬:১৪ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক : চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে শ্যামলী পরিবহনের গাড়ীর হেলপার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করলেও এখন তিনি কোটিপতি! থাকেন নিজের আলিশান ফ্ল্যাটে। স্ত্রীর নামে রয়েছে প্রাইভেট কার। অনেকটা আলাদীনের আশ্চর্য প্রদীপ পাওয়ার মতো করে বদলে গেছে তার জীবন। রীতিমত কোটিপতি বনে গেছেন নুরুল হুদা। পাল্টে গেছে জীবন-যাপন।

চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ থানার ২ নম্বর গেইট জিন্নুরাইন কনভেনশন সেন্টারের সামনে থেকে প্রাইভেটকার তল্লাশি করে শীর্ষ ইয়াবা ব্যবসায়ী। নুরুল হুদাকে (৩৯) গ্রেফতার করেছে নগর গোয়েন্দা পুলিশের বিশেষ টিম।

শনিবার মধ্যরাতে চালানো এ অভিযানে তার সহযোগী মোহাম্মদ করিম (২৭) কে গ্রেফতার করা হয়। জব্দ করা হয় ১০ হাজার পিস ইয়াবা।

গ্রেফতার নুরুল হুদা কক্সবাজার জেলার চকরিয়া থানার খুটাখালীর বদিউর রহমান ড্রাইভারের ছেলে। তার সহযোগী মোহাম্মদ করিম চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়ি উপজেলার নুরুউদ্দিন সওদাগরের বাড়ীর মো. নুরুল হকের ছেলে।

মহানগর গোয়েন্দা বিভাগের পুলিশ পরিদর্শক সঞ্জয় কুমার সিনহা জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ থানাধীন ২ নম্বর গেইট জিন্নুরাইন কনভেনশন সেন্টারের সামনে রাস্তার উপর অভিযান পরিচালনা করে প্রাইভেট কার (চট্ট মেট্রো : গ-১২-৩৭৮৫) তল্লাশি করে ১০,০০০ পিস ইয়াবাসহ দুই আসামিকে গ্রেফতার করা হয়।

নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার অলক বিশ্বাস একুশে পত্রিকাকে বলেন, ‘নুরুল হুদা দেশের শীর্ষ ইয়াবা ব্যবসায়ী। শুরুতে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও টেকনাফ রোডে শ্যামলী গাড়ীর হেলপার হিসেবে ছিলো। এর মাঝে টেকনাফ থেকে গোপনে ইয়াবা ট্যাবলেট এনে চট্টগ্রাম শহরের বিভিন্ন এলাকায় পাইকারী ও খুচরা বিক্রয় শুরু করে। পরে টেকনাফের ৪-৫ জনকে নিয়ে একটি সিন্ডিকেট গড়ে তোলে নুরুল হুদা। ঢাকার পার্টির সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি হলে টেকনাফের বিক্রেতারা নিজেরাই পাঠাতে শুরু করেন। ’

অলক বিশ্বাস আরো জানান, গতকাল (শনিবার) নুরুল হুদা নিজে ইয়াবাগুলো তার ড্রাইভারের সহায়তায় প্রাইভেটকারে করে শহরের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করছিলো। ইয়াবা পরিবহণে ব্যবহৃত প্রাইভেটকারটি তার স্ত্রীর নামে রেজিষ্ট্রেশন করা। তার বিরুদ্ধে সিএমপি’র চান্দগাঁও ও চকবাজার থানায় দুটি মামলা রয়েছে।

একুশে/এএ