চট্টগ্রাম বন্দরে ডগ স্কোয়াড দিয়ে তল্লাশি

Screenshot_4চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম বন্দরে ‘অপারেশন আইরিন’ শুরু করেছে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর। অবৈধ অস্ত্র, গোলাবারুদ, বিস্ফোরক, মাদক ও নিরাপত্তার ঝুঁকির জন্য হুমকি এমন পণ্যের ব্যবসা বা পরিবহন রোধকল্পে এ অভিযান চালানো হচ্ছে। সোমবার দিনভর বিজিবির ডক স্কোয়াড দিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে তল্লাশি চালানো হয়।

ওয়ার্ল্ড কাস্টমস অর্গানাইজেশনের অধীনে রিজোনাল ইনটেলিজেন্স লিয়েইজন অফিস ফর এশিয়া অ্যান্ড দ্য প্যাসিফিক (রাইলো এপি) সার্বিকভাবে এই অভিযানে সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করছে। বাংলাদেশ রাইলো এপির অত্যন্ত সক্রিয় সদস্য হিসেবে এই অভিযানে অংশ নিচ্ছে। চট্টগ্রাম বন্দরে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর অভিযানের মূল কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এছাড়া বন্দর, কাস্টমস সহ অন্যান্য সরকারি সংস্থা অভিযানে সহায়তা করছে।

সোমবার সন্ধ্যায় শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের উপ-পরিচালক শামীমুর রহমান বলেন, সোমবার সকাল ১১টার দিকে চট্টগ্রাম বন্দরের ৮ নম্বর শেডে ডগ স্কোয়াড দিয়ে তল্লাশি শুরু হয়। এরপর সাড়ে ১১টা থেকে বন্দরের সিএফএস শেডে তল্লাশি শুরু হয়। বিকেল পর্যন্ত অভিযান চলে। এ অভিযান চলাকালে কন্টেইনারে করে বন্দরে আসা বিভিন্ন পণ্যের কার্টনগুলো বিজিবির দুটি প্রশিক্ষিত কুকুর দিয়ে তল্লাশি করা হয়। মঙ্গলবার সকাল থেকে ফের চট্টগ্রামে বন্দরে অভিযান শুরু হবে। এরপর বিকেলে অভিযান সমাপ্ত করে পুরো অভিযান নিয়ে প্রেস বিফ্রিং করা হবে।

এদিকে সোমবার দুপুরে চট্টগ্রাম বন্দরে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক হোসাইন আহমেদ জানান, বন্দর ব্যবহার করে কেউ যাতে অস্ত্র, গোলাবারুদ, মাদকদ্রব্য খালাস করতে না পারে সেজন্য অপারেশন আইরিন চলছে। এশিয়ান ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ৩৩টি দেশের মতো বাংলাদেশেও চলছে কম্বিং অপারেশন আইরিন। এই অভিযানের আরেকটি উদ্দেশ্য হলো, যারা সন্ত্রাসী, যারা অবৈধ জিনিস আমদানী করে তাদের কাছে বার্তা দেওয়া। যাতে তারা সতর্ক হয়ে এই ধরনের অবৈধ মালামাল আমদানী না করে। শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগ এসব মালামাল ধরার জন্য প্রস্তুত আছে।