শুক্রবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯, ৮ ভাদ্র ১৪২৬

কোটা ব্যবস্থা সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক

প্রকাশিতঃ বুধবার, এপ্রিল ১১, ২০১৮, ২:৪৮ অপরাহ্ণ

একুশে ডেস্ক : সমাজে পিছিয়ে থাকা মানুষদের এগিয়ে নিতে চালু হয়েছিলো কোটা ব্যবস্থা। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে এর আর প্রয়োজন নেই বলে মনে করেন বিশিষ্টজনরা।

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা আকবর আলি খান বলছেন, এ ব্যবস্থা সংবিধান পরিপন্থি। আর সাবেক সচিব আবু আলম শহীদ মনে করেন, সদিচ্ছা থাকলে এক দিনেই কোটা সংস্কার সম্ভব।

দেশ স্বাধীনের পর বঙ্গবন্ধু সরকারী চাকরিতে যে কোটা ব্যবস্থা চালু করেছিলেন তার যৌক্তিকতা ছিলো পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীকে এগিয়ে নেয়া।

তখন সবমিলে কোটা ছিলো মাত্র ৩৪ শতাংশ। আর এখন তা বেড়ে দাড়িয়েছে ৫৫ শতাংশে। কোটা সংস্কারের দাবিতে থাকা আন্দোলনকারীরা বলছে, ৫৫ শতাংশ কোটার কারণে চাকরি থেকে বঞ্চিত হচ্ছে মেধাবীরা। এমন প্রেক্ষাপটে ড. আকবর আলী খানের মন্তব্য কোটার মাধ্যমে বিভিন্ন দুর্নীতির সুযোগ সৃস্টি হচ্ছে। একইসাথে বৈষম্য মূলক কোটা ব্যবস্থা সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক বলেও মনে করেন তিনি। তার মতে শুধু অনগ্রসর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য কোটা থাকতে পারে।

অন্যদিকে সাবেক সচিব আবু আলম মোহাম্মদ শহীদ মনে করেন, সরকারের সদিচ্ছা থাকলে একমাস নয়, একদিনেই কোটা ব্যবস্থার সংস্কার করা সম্ভব। চিরস্থায়ী কোটা ব্যবস্থা না রেখে প্রতি ৫ থেকে ১০ বছর পর বাস্তবতার আলোকে কোটা সংস্কার করা উচিৎ বলে মনে করেন ড. আকবর আলী খান ও আবু আলম শহীদ।

একুশে/এএ