ঢাকা : লন্ডনে রাজনৈতিক আশ্রয়ে থাকা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনতে আইনি পদক্ষেপসহ সরকার সবধরনের ব্যবস্থা নেবে বলে জানিয়েছেন যা যা করা দরকার সরকার তা করবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বুধবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন গণভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা জানান।
প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক সৌদি আরব, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়া সফর সম্পর্কে জানাতেই এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘তারেক রহমান একজন সাজাপ্রাপ্ত আসামি। দু্ইটা মামলায় সে সাজাপ্রাপ্ত। আরও মামলা রয়েছে। এই সাজাপ্রাপ্ত আসামি আবার লন্ডনে বসে আন্দোলন করে তার মায়ের মুক্তির জন্য, যে কি-না আরেক সাজাপ্রাপ্ত আসামি।’
তারেক রহমান যুক্তরাজ্যে রাজনৈতিক আশ্রয়ে আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘একটা দেশে রাজনৈতিক আশ্রয় চাইতে গেলে তাকে কিন্তু পাসপোর্ট জমা দিতে হয়। এছাড়া সে যে দেশের পাসপোর্টধারী সে দেশে যেতেও পারে না, কেননা ওই দেশে গেলে তার রাজনৈতিক আশ্রয় বাতিল হয়ে যায়।’
বিএনপির সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘বিএনপি নিজেদের বলে সবচেয়ে বড় দল, সবচেয়ে জনপ্রিয় দল। তো তারা কী এত বড় দলে একটা মানুষ পেল না নেতৃত্বের জন্য। একজন সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে তারা ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন করে বসে আছে।’
দশ ট্রাক অস্ত্র মামলায় সাজাপ্রাপ্ত তারেক রহমানের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, এ ধরনের একজন অপরাধীকে দেশে ধরে নিয়ে আসার প্রচেষ্টা আমাদের থাকবে। ব্রিটিশ সরকারের সঙ্গে আমাদের কথা হচ্ছে, আলোচনা হচ্ছে। যেভাবে আইনে আছে, যা যা করতে হয় আমরা করবো।’
উল্লেখ্য, প্রায় ৯ বছর ধরে লন্ডনে রাজনৈতিক আশ্রয়ে আছেন তারেক জিয়া। লন্ডনে বসেই বিএনপির রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন তিনি।
