এক নেতার এক পদ কার্যকরে হার্ডলাইনে নগর আ’লীগ

.আলম দিদার : চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগে দীর্ঘদিন ধরে যারা নগর, থানা এবং ওয়ার্ডে একাধিক পদ দখল করে আছেন তাদের একটি পদ ছাড়া বাকিগুলো এবার ছাড়তেই হবে। গত ৩ মার্চ নগর আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেননি নগর আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্ব।

তবে আগামী ৫ মে অনুষ্ঠিতব্য বর্ধিতসভায় দলের কেন্দ্রিয় সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে সামনে রেখে এ বিষয়ে কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে নগর আওয়ামী লীগ। একই সাথে যেসব থানা ও সাংগঠনিক ওর্য়াডে একাধিক কমিটি ও পদ শূণ্য আছে সেসব কমিটিগুলোও পুনর্গঠন করা হবে।

প্রসঙ্গত, আগামী ৫ মে সকাল ১১টায় নগরীর লেডিস ক্লাবে নগর আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা আহ্বান করা হয়েছে। এতে প্রধান অথিতি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ চট্টগ্রামের কেন্দ্রিয় দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা। উক্ত বর্ধিত সভায় শুধুমাত্র নগর আওয়ামী লীগের কার্যকরি কমিটি, থানা ও ওয়ার্ডের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এবং ইউনিটের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত থাকার সুযোগ পাবেন।

বিষয়টি জানিয়ে নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন একুশে পত্রিকাকে বলেন, ‘সামনে জাতীয় নির্বাচন। তাই ঐক্যবদ্ধ ও সুসংগঠিত নগর আওয়ামী লীগের বিকল্প নেই। দলের গঠনতন্ত্র মেনে নগর আওয়ামী লীগকে ঢেলে সাজানো হবে। যেখানে একাধিক কমিটি আছে সেগুলে পুনর্গঠন করে একক কমিটি করা হবে। যেসব থানা ও ওয়ার্ড কমিটিতে পদ শূণ্য আছে সেসব পদ পূরণ করা হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘গতবার বর্ধিত সভায় আমরা বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। এরমধ্যে সদস্য সংগ্রহ আর নবায়ন, এক নেতার এক পদ নিশ্চিত করাসহ আরো কয়েকটি সিদ্ধান্ত হয়েছিল। তবে এক নেতার এক পদ আর কমিটি পুনর্গঠনের বিষয়টির অগ্রগতি হয়নি আর। সেজন্য ৫ তারিখের বর্ধিত সভায় আমাদের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ভাইয়ের সামনে বিষয়টি উপস্থাপন করে সেই সিদ্ধান্ত দ্রুত কার্যকর করা হবে। মোটকথা গতবারের সিদ্ধান্তগুলোসহ আরো বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছি আমরা।’

এরআগে গত ৩ মার্চ জহুর আহমেদ চৌধুরীর বাসভবনে অনুষ্ঠিত নগর আওয়ামী লীগের জরুরী বর্ধিত সভায় মহানগর ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগকে না জানিয়ে দলীয় প্রতীক ব্যবহার করে প্রওচারণামূলক বিলবোর্ড, পোস্টার, ফেস্টুন লাগাতে পারবেন না এবং কেউ যদি তা করেন তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিলেও সেটির কোনো অগ্রগতি নেই।

এডি/একুশে