চট্টগ্রাম : উপজেলা চেয়ারম্যান শক্তিমান চাকমার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যাওয়ার পথে মাইক্রোবাস লক্ষ্য করে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫ এ দাঁড়িয়েছে। এরআগে দুপুর বারোটার দিকে নানিয়ারচর মহালছড়ি সীমান্তে ঘটনাস্থলেই তিন ইউপিডিএফ-গণতান্ত্রিক এর তিন নেতা গুলিতে মারা যান।
পরে ওই ঘটনায় আহত হাসপাতালে নেয়ার পথে মারা যান মাইক্রোবাস চালক সজীব ও কর্মী সেতুলাল চাকমা। ঘটনাস্থলেই মারা যান ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিকের শীর্ষ নেতা তপন জ্যোতি চাকমা, সুজন চাকমা ও টনক চাকমা। এঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন আরো ৭ জন।
রাঙামাটির পুলিশ সুপার আলমগীর কবীর ও ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিকের নেতা লিটন চাকমা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আহতদের খাগড়াছড়ি জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
মাত্র এক দিন আগে রাঙামাটির নানিয়ারচর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (এমএন লারমা) সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট শক্তিমান চাকমাকে প্রকাশ্যে দিনের আলোতে গুলি করে হত্যা করা হয়। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শক্তিমান চাকমা তার সরকারি বাসভবন থেকে স্থানীয় বাজারে যান। বাজার থেকে মোটরসাইকেলে করে উপজেলা পরিষদের সামনে আসেন। মোটরসাইকেল থেকে নামতেই গুলি করা হয় তাকে। ঘটনাস্থলেই মারা যান অ্যাডভোকেট শক্তিমান চাকমা। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে শক্তিমান চাকমার লাশ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় তার সহকারী রুপম চাকমা (৩৫) আহত হয়েছেন।
এই হত্যাকাণ্ডের জন্য ইউপিডিএফ এর শীর্ষ নেতাদের দায়ী করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (এমএন লারমা)।
