কোরিয়ার তিন লাইব্রেরি পরিদর্শন করেছেন পাবলিক গ্রন্থাগারের প্রতিনিধিরা

ওমর ফারুক হিমেল, দক্ষিণ কোরিয়া থেকে: পাবলিক গ্রন্থাগার পরিচালক (যুগ্ম সচিব) আব্দুল্লাহ হারুন পাশার নেতৃত্বে ৮ সদস্যের প্রতিনিধি দল দক্ষিণ কোরিয়ার বিখ্যাত তিন লাইব্রেরি পরিদর্শন করে বাংলাদেশে ফিরে গেছেন।

অনলাইন লাইব্রেরি ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়ন’ প্রজেক্টের আওতায় তারা এই সফর করেন।

প্রতিনিধি দলের সদস্যদের মধ্য আরও ছিলেন সংস্কৃতি মন্ত্রনালয়ের ডেপুটি সেক্রেটারি জি এম রফিকুল ইসলাম, মোঃ জাহেদুল হাসান, আইএমইডি ডেপুটি ডিরেক্টর কামাল হোসেন তালুকদার, পাবলিক গ্রন্থাগারের প্রজেক্ট ডিরেক্টর হরেন্দ্রেনাথ বোস, প্রিন্সিপাল লাব্রেরিয়ান মোঃ জিল্লুর রহমান, প্রিন্সিপাল লাইব্রেরিয়ান-কাম-ডেপুটি ডিরেক্টর মেজবাহ উদ্দিন ও লাইব্রেরিয়ান খন্দকার আসিফ মাহতাব।

উল্লেখ্য দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধান তিনটি প্রধান লাইব্রেরি, প্রধানত ন্যাশনাল লাইব্রেরি, ন্যাশনাল এসেম্বলি লাইব্রেরি ও সিউল মেট্রোপলিটন লাইব্রেরি পরিদর্শন করেন। প্রতিনিধি দলের সদস্যরা লাইব্রেরীর অনলাইন ব্যবস্থাপনা ও কার্যকরন সম্পর্কে অবহিত হন।

দক্ষিণ কোরিয়ার লাইব্রেরি সমূহের প্রধানদের সাথে মতবিনিময় করেছেন বাংলাদেশ থেকে আগত প্রতিনিধিবৃন্দ।

মতবিনিময়কালে লাইব্রেরিগুলোর কর্মকর্তাদের বিভিন্ন ভিডিও উপস্থাপনা দেখেন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা।

উল্লেখ্য, ৮ সদস্যের প্রতিনিধি দল কোরিয়ার জাতীয় যাদুঘর লাইব্রেরী, সিউল টাওয়ার, কোরিয়ার বিখ্যাত হান নদী ও বাংলাদেশ দূতাবাস ভবন পরিদর্শন করেন।

সিউলস্থ রাষ্ট্রদূত আবিদা ইসলামের আমন্ত্রণে রাষ্ট্রদূতের বাসভবনে ইফতার ও নৈশ ভোজে অংশগ্রহণ করেন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা।

এ সময় দূতাবাসের প্রথম সচিব জাহিদুল ইসলাম ভুঁইয়া (শ্রম শাখা) ও প্রথম সচিব ও দুতালয় প্রধান রুহুল আমিন উপস্থিত ছিলেন।

একুশে/এসআর