চট্টগ্রাম: পূর্ব বিরোধের জেরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের চার জন করে ৮ জন আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।
বিবদমান গ্রুপ দুটি হলো প্রয়াত নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এবিএম মহিউদ্দীন চৌধুরীর অনুসারী হিসেবে পরিচিত বিজয় ও সিএফসি ।
সোমবার বেলা ১২ টার দিকে চাকসুর সামনে ঘটনার সূত্রপাত ঘটে। পরবর্তীতে এফ রহমান হল ও শাহ আমানত হলেসংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে।
আহতরা হলেন- বিজয় গ্রুপের লোক প্রশাসন বিভাগের ১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের আজিজুল হক মামুন, আরবি বিভাগের ১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের জোবায়ের আহমেদ, রাজনীতি বিজ্ঞান ১২-১৩ শিক্ষাবর্ষের সাইমুন ইসলাম, ইতিহাস বিভাগের ১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের ইমাম হোসেন।
অন্যদিকে সিএফসি’র আহতরা হলেন, ইতিহাস বিভাগের ১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের আপন ইসলাম মেঘ, মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের ১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের সাহাতাব হোসেন প্রদীপ, আইন বিভাগের ১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের হাবিব, স্পোর্টস সায়েন্স বিভাগের ১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের রিংকু দাশ ।
এদের মধ্যে পাঁচজনকে বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারে এবং গুরুতর আহত তিনজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (চমেক) পাঠানো হয়েছে ।
জানা যায়, বেলা ১২ টার দিকে সিএফসি গ্রুপের কর্মী রিংকু দাশকে চাকসুর সামনে বিজয় গ্রুপের কয়েকজন কর্মী মারধর করে। এ খবর ক্যাম্পাসে ছড়িয়ে পড়লে এফ রহমান হলে বিজয় কর্মীদের ওপর হামলা করে সিএফসির কর্মীরা। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে ইট পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে।
পরে হলের তিনটি রুমের জানালা ভাঙচুর করা হয়। এ ঘটনার সূত্র ধরে শাহ আমানত হলেও সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় কয়েকটি রুম ভাঙচুর করা হয়। পরবর্তীতে পুলিশ ও প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আলী আজগর চৌধুরী বলেন, চাকসুর সামনে থেকে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। পরে দুইটি হলে তা ছড়িয়ে পড়ে। কয়েকজন আহত হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি আমাদের নিয়ন্ত্রণে আছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আমরা প্রস্তুত আছি।
