ঢাকা : দীর্ঘ বিরতির পর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে যোগ দিচ্ছেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন পরিবেশ বিজ্ঞানী ড. হাছান মাহমুদ এমপি।
বৃহস্পতিবার (২০ সেপ্টেম্বর) তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স-এর উপর আনুষ্ঠানিকভাবে প্রথম ক্লাশ নেবেন। এর আগে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অনুরোধে তিনি একটি ক্লাশ নিয়েছিলেন। ক্লাশটি নিয়েই তিনি শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মায়ার জালে আটকে যান। তারা হাছান মাহমুদকে শিক্ষক হিসেবে নিয়মিত পাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেন।
মূলত শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের দাবি এবং অনুরোধে ড. হাছান মাহমুদ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে যোগ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেন। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মাসে ১০টি ক্লাশ নেয়ার অনুরোধ করেছিলেন হাছান মাহমুদকে। কিন্তু রাজনৈতিক ব্যস্ততার কারণে প্রাথমিকভাবে সপ্তাহে একটি করে ক্লাশ নিতে সম্মত হন তিনি।
এর আগে পরিবেশ বিজ্ঞান ও বাংলাদেশ স্টাডিস বিষয়ে ইস্ট-ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি এবং নর্থ-সাউথ ইউনিভার্সিটিতে খণ্ডকালীন শিক্ষকতা করেন ড. হাছান মাহমুদ। শিক্ষাজীবন শেষ করে ইউরোপীয়ান ইনস্টিটিউট ফর স্ট্রেটেজিক স্টাডিস, ব্রাসেলস, বেলজিয়ামে ভিজিটিং ফেলো এবং একাডেমিক বোর্ড মেম্বার হিসেবে কিছুদিন কাজ করেন বরেণ্য এই শিক্ষাবিদ।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় যোগ দেয়া প্রসঙ্গে ড. হাছান মাহমুদ একুশে পত্রিকাকে বলেন, শিক্ষকতা পেশা আমি খুব এনজয় করি। বেলজিয়ামে পড়াশোনা শেষে সেখানেই শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত হয়েছিলাম। পরবর্তীতে জাতির জনকের কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার ডাকে শিক্ষকতায় ইতি টেনে তাঁর সঙ্গে যোগ দিই। তাঁর বিশেষ সহকারী, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে গুরুদায়িত্ব, এমপি-মন্ত্রীর দায়িত্ব-এসবের পরও শিক্ষকতা আমার পিছু ছাড়েনি। তাই শত ব্যস্ততার মাঝেও ইস্ট-ওয়েস্ট এবং নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে খণ্ডকালীন শিক্ষকতা করেছি। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আগ্রহে দীর্ঘ বিরতির পর আবার ফিরলাম সেই শিক্ষকতায়।
উল্লেখ্য, ড. হাছান মাহমুদ দেশে এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে একজন খ্যাতিমান পরিবেশবিদ হিসেবে সুপরিচিত। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক পরবর্তীতে সরকারের পরিবেশ মন্ত্রী এবং বর্তমানে জাতীয় সংসদের বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয় সর্ম্পকিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হিসেবে দেশের পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ুজনিত ঝুঁকি মোকাবিলায় সফলতার সাথে কাজ করে যাচ্ছেন। যা জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত হয়েছে।
একুশে/এটি
