ঢাকা: ২০০৮-২০১২-২০১৬। বেইজিং-লন্ডন-রিও। খ্রিষ্টীয় এই তিন সাল ও জায়গা একই সুতোয় মিলে গেল।
হ্যাঁ, ঠিক তাই। কেননা খ্রিষ্টীয় এই তিন সালেই বিশ্বের প্রথম স্প্রিন্টার হিসেবে টানা তিনটি অলিম্পিকে ১০০ মিটারের স্বর্ণ জিতে নিলেন জ্যামাইকার উসাইন বোল্ট। আর অমরত্বের পথে বড় একটা পদক্ষেপ ফেললেন।
রোববার রিও অলিম্পিকে ছেলেদের ১০০ মিটার দৌড়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে বোল্ট সময় নিয়েছেন ৯.৮১ সেকেন্ড। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিতর্কিত তারকা জাস্টিন গ্যাটলিন হয়েছেন দ্বিতীয়। ফিনিশিং ল্যাপ শেষ করতে তার সময় লেগেছে ৯.৮৯ সেকেন্ড। আর ৯.৯১ সেকেন্ড সময়ে গন্তব্যে পৌঁছে ব্রোঞ্জ জিতেছেন কানাডার আন্দ্রে দে গ্যাসি।
আত্মবিশ্বাসই বোল্টের সবচেয়ে বড় জায়গা- এই বিষয়টা আরেকবার প্রমাণ করলেন গ্রহের দ্রুততম মানব। রিও অলিম্পিকের আগের ঘটনাপুঞ্জের কথা একবার ভাবুন। ইনজুরিতে কতোটা নাকাল ছিলেন ‘বজ্র বিদ্যুৎ’। তাকে কতোটা সময় ট্র্যাকের বাইরে কাটাতে হয়েছে। তবে একটুও ভড়কে যাননি। বারবার জানিয়েছেন- ঠিক সময়ের আগেই প্রস্তুত হয়ে উঠবেন। তারপরও মানব শরীরের সামর্থ্যের কথা ভেবে কিছু শঙ্কা তো থেকেই যায়। কিন্তু বোল্ট তো আর দশটা মানুষের মতো নন!
তাই এদিন ১০০ মিটারের স্প্রিন্টে প্রথম ৫০ মিটার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে অনেকটা পিছিয়ে পড়েও নির্বিকার ছিলেন বোল্ট। কারণ, আয়েশি বোল্ট তার ঝলক দেখান শেষ ৫০ মিটারেই। রিওতেও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি। প্রথমে পিছিয়ে পড়ে দৌড়ের শেষাংশে গিয়ে গ্যাটলিনকে ছাপিয়ে গেছেন। আর দৌড় শেষ করার আগেই বুনো উদযাপনে গ্যালারিকে আরো বেশি জীবন্ত করে তোলেন।
প্রসঙ্গত, রিও অলিম্পিক শুরুর আগেই বোল্ট ঘোষণা দিয়েছেন লাতিন দেশটিতেই বুটজোড়া তুলে রাখবেন তিনি।
