চট্টগ্রাম : রেলপথ মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী এমপি বলেন, মরহুম এ. কে জাফর খান অত্যন্ত সজ্জন ব্যক্তি ছিলেন। শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবক হিসেবে ছিলেন সমাদৃত। তাকে হারিয়ে রাউজানবাসী একজন যোগ্য মানুষকে হারালো। জাফর খানের পথ ধরে তরুণ সমাজকে আলোকিত সমাজের জন্য কাজ করতে হবে। জাফর খান তার কর্মের মাধ্যমে আজীবন মানুষের মনে বেঁচে থাকবেন।
শুক্রবার (৫ অক্টোবর) বিনাজুরী নবীন স্কুল অ্যান্ড কলেজ গভর্নিং বডির সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের সাবেক কর্মকর্তা, বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবক এ. কে জাফর খান’র প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এক শোক সমাবেশে প্রধান অতিথির ভাষণে এসব কথা বলেন।
মরহুম এ. কে জাফর খান স্মৃতি সংসদ ও এলাকাবাসীর উদ্যোগে এ. কে. সি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এক শোক সমাবেশ সাবেক সিভিল সার্জন বীর মুক্তিযোদ্ধা ডাঃ সরফরাজ খান বাবুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।
পরিবারের পক্ষ থেকে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মরহুমের পুত্র প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব নিয়াজ মোরশেদ নিরু। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রেলপথ মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী এমপি, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. হারুনুর রশিদ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মো. মোহসিন চৌধুরী, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব এইচ. এম হুমায়ুন কবির ও মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান, উপজেলা চেয়ারম্যান এহসানুল হায়দার চৌধুরী বাবুল, বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. নূর মোহাম্মদ, উত্তরজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি দিলওয়ারা ইউসুফ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম, পৌরসভা প্যানেল মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক বশির উদ্দিন খান, অ্যাডভোকেট দীপক দত্ত, পশ্চিম গুজরা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান লায়ন শাহাবুদ্দিন আরিফ, পৌরসভার প্যানেল মেয়র জমির উদ্দিন পারভেজ, ইউপি চেয়ারম্যান সুকুমার বড়ুয়া, ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার সোহেল, মহিলা কাউন্সিলর নাসরিন আকতার, উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা সাইফুল ইসলাম চৌধুরী রানা, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি আবদুস সালাম, সাবেক কাউন্সিলর শামীমুল ইসলাম (শামু), বিনাজুরী নবীন স্কুল অ্যান্ড কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতি মনজুর মোরশেদ, বিনাজুরী নবীন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ অমর কান্তি দত্ত; গভর্নিং বডির সদস্য আরিফ মোরশেদ।
আওয়ামী লীগ নেতা জামাল উদ্দিনের পরিচালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্যে রাখেন প্যানেল চেয়ারম্যান আবদুল মালেক, থানা যুবলীগ নেতা সাজ্জু মোহাম্মদ নাছের, যুবলীগ নেতা বশির মিত্র বড়ুয়া, অ্যাডভোকেট পেয়ার হোসেন, ডা. ইকবাল করিম মুরাদ, ডা. আলী হায়দার, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন পিপলু, আবদুল্লাহ আল মাসুদ, আনোয়ার হোসেন, ইউপি সদস্য মো. জামাল, মো. লিটন, রিফাত মাহমুদ, রুপম সরকার প্রমুখ।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. হারুনুর রশিদ বলেন, মরহুম জাফর ছিলেন আমার ঘনিষ্ঠ। আমার বন্ধু জাফর সব সময় মানুষের বিপদে-আপদে থাকতেন। তার মাঝে সব সময় মানুষের কল্যাণ নিহিত ছিল।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মো. মোহসিন চৌধুরী বলেন, মরহুম জাফর খান একজন সৃষ্টিশীল মনের মানুষ ছিল। স্বল্প সময়ের মধ্যে তিনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধন করেছিল।
মরহুমের পুত্র প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রীর এপিএস নিয়াজ মোরশেদ নিরু বলেন, আমার বাবার অসম্পূর্ণ স্বপ্ন বাস্তবায়নই আমার জীবনের লক্ষ্য। বাবার রেখে যাওয়া আদর্শ বুকে ধারণ করে সামনে এগুতে চাই।
সকালে মরহুম এ, কে জাফর খানের কবরে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বি.এসসি; এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী এমপি; বিনাজুরী নবীন স্কুল অ্যান্ড কলেজ; এ. কে জাফর খান স্মৃতি সংসদ; বিনাজুরী ইউনিয়ন পরিষদ; পশ্চিম গুজরা ইউনিয়ন পরিষদ; একাউন্টিং প্লাস ও সায়েন্স প্লাস কোচিংসহ, আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে মরহুমের কবরে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়।
একুশে/প্রেসবিজ্ঞপ্তি/এটি
