চট্টগ্রাম: হেলালের সিএনজি অটোরিকশা গ্যারেজে চাকরি করতেন কিশোর রিপন দে। সম্প্রতি ওই চাকরি ছেড়ে দিয়ে অন্যত্র কাজ নেন রিপন। এতেই কাল হলো তার! রিপনের ছেড়ে যাওয়া কোনমতেই মেনে নিতে পারছিল না হেলাল। রিপনকে কিভাবে খুন করা যায় তার পরিকল্পনা করতে থাকেন তিনি। খুনের মূল দায়িত্ব দেয়া হয় লিয়াকত নামের একজনকে। পরিকল্পনা অনুযায়ী কিলিং মিশনে অংশ নেয় লিয়াকতসহ আরো দুইজন।
গত শনিবার রাতে রিপনকে খুনের পর ভূজপুরের বৈদ্যারহাট বাজারের পার্শ্বে ফেলে রেখে সটকে পড়ে খুনিরা। পরে রোববার সকালে লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায় পুলিশ।
নিহত রিপন দে ভূজপুর থানার বারমাসিয়া গ্রামের উত্তর হিন্দু পাড়ার গনেশ দে’র ছেলে।
এদিকে রোববার সকাল থেকে নিহত রিপনের পরিবারের সাথে অবস্থান করে ঘাতক হেলাল। এমনকি খুনের আলামত নষ্ট করার জন্য নিজের কাঁধে করে রিপনের লাশ পরিবারের কাছে নিয়ে যায় খুনের মূল পরিকল্পনাকারী। হেলালের দক্ষ অভিনয়ে কেউ বুঝতেই পারেনি ঘাতক তাদের সাথেই অবস্থা করছে!
তবে এত কৌশল করেও শেষ রক্ষা পায়নি হেলাল। সোমবার প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেলালকে থানায় নিয়ে যায়। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে বেরিয়ে আসে হত্যার মূল রহস্য।
পুলিশের একাধিক সূত্রে এসব তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেলেও এখনই মুখ খুলতে নারাজ ভূজপুর থানার ওসি লিয়াকত আলী। একুশেপত্রিকাডটকমকে তিনি বলেন, ‘হেলালকে আমরা সোমবার গ্রেফতার করেছি। তাকে আজ (মঙ্গলবার) আদালতে হাজির করা হবে। তদন্তের স্বার্থে এখনই এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাতে পারছি না।’
নিহত রিপন দে’র কোমরে, বুকের বাঁ পাশে ও পিটে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন ওসি লিয়াকত আলী।
