চট্টগ্রাম : নগরে জহুর আহম্মদ স্টেডিয়ামে কল্পিত বাস্তব চিত্রের মতই নিরাপত্তা মোহড়া চালিয়েছে মহানগর পুলিশ ও পুলিশের বিশেষয়িত ইউনিট সোয়াত।
রোববার (২১ অক্টোবর) চট্টগ্রামে জিম্বাবুয়ে ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দলের সফর উপলক্ষে এ নিরাপত্তা মোহড়া জানিয়েছেন নগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মাসুদ-উল হাসান।
সকাল ১১টায় নগরীর পাঁচতারকা হোটেল রেডিসন ব্লু থেকে খেলোয়াড়দের বহনকারী বাস নিয়ে জহুর আহম্মদ স্টেডিয়ামের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। খেলোয়াড়দের বহনকারী বাসের আগে পিছে পুলিশ, এ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস ও গণমাধ্যম সহ অনেকগুলো গাড়ি জহুর আহম্মদ স্টেডিয়ামে পৌঁছায়। পরে সোয়াত টিমের সদস্যরা প্যাভিলিয়নে পর্যন্ত খেলােয়াড়দের বিশেষ নিরাপত্তা দিয়ে প্রবেশ করায়। নিয়মঅনুযায়ি খেলা শুরু হয়। হঠাৎ মাঠে বোমা ফাঁটলো। বোমার শব্দে চারিদিকে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। মুহুর্তের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সশস্ত্র অবস্থায় মাঠে ঝাঁপিয়ে পড়ে। খোলোয়াড়দের চারদিক ঘিরে প্যাভিলিয়ন পর্যন্ত পৌঁছে দেয় পুলিশের একটি টিম। এরপর চালায় চিরুনী অভিযান। অভিযানে সোয়াত টিমের হাতে ধরা পড়ে বোমারুরা।
অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মাসুদ-উল হাসান জানান, দেশি-বিদেশি খেলোয়াড়রা চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে পৌঁছার পর থেকেই চট্টগ্রাম নগর পুলিশের নিরাপত্তা ব্যবস্থার আওতায় চলে আসবে। এই নিরাপত্তায় নগর পুলিশের ২ হাজার পুলিশ সদস্যের পাশাপাশি র্যাব-৭ এর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন।
পুলিশের বিশেষ সুত্র জানায়, খেলোয়াড়দের হোটেল থেকে মাঠে নিয়ে আসা এবং খেলা চলাকালীন যে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে থাকলে তা প্রতিহত করা এবং অপরাধীকে গ্রেপ্তারের কল্পিত বাস্তব চিত্রের মতোই মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।
একুশে/এসসি
