ফিরেই বাজিমাত সৌম্যের, জাত চেনালেন ইমরুল

 

 

রাকীব হামিদ, জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম থেকেঃ সর্বশেষ গতমাসে এশিয়া কাপে ওয়ানডে খেলেছিলেন  সৌম্য সরকার।  ভারতের বিপক্ষে সেই ম্যাচে ৩৩ রান করে আউট হন সৌম্য সরকার। এশিয়া কাপ থেকে ফিরে জিম্বাবুয়র বিপক্ষে সিরিজের শেষ ম্যাচে মাঠে নামার সুযোগ মেলে সৌম্যের। খুলনা থেকে চট্টগ্রামে ফিরেই বাজিমাত করলেন তিনি। ৮ মাস পর ফিফটির করার পর সেঞ্চুরিও করলেন বাংলাদেশী এই অলরান্ডার। এটি তার ক্রিকেট ক্যারিয়ারে ওয়ানডেতে তৃতীয় সেঞ্চুরি।

টিম ম্যানেজমেন্ট বিশ্বকাপের আগে দল বাছাই করতে যে এক্সিপেরিমেন্ট করেছে তাতে নিজেকে প্রমাণ করতে পেরেছেন তিনি। ইমরুল কায়েসের সাথে ২২০ রানের জুটিতে সৌম্যের অর্জন ৯১ বলে ১১৭ রান। দুর্দান্ত এই ইনিংসে দুইজন মিলে চার ছক্কার ঝড় তুলছেন। বাউন্ডারি জুড়ে চার ছক্কার ঝড়ের প্রভাব পড়েছিল জহুর আহ্মেদের ভরা গ্যালারি জুড়ে। প্রতিটি চার আর ছয়ে উল্লাসে মাতোয়ারা হয়েছেন দর্শকরাও।

এদিকে ইমরুল- সৌম্যের ২২০ রানের জুটি জন্ম দিয়েছে নতুন রেকর্ডের। ওয়ানডেতে ২য় উইকেট জুটিতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ জুটি গড়ে পূর্বের রেকর্ড ভেঙেছেন তারা দুজন। এর আগে চলতি বছরের ২২ জুলাই ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে তামিম-সাকিব মিলে ২০৭ রানের জুটিতে রেকর্ড করেছিলেন।

জিম্বাবুয়ের দেয়া ২৮৭ রানের বিশাল লক্ষ্যে খেলতে নেমে ইনিংসের প্রথম বলেই সাজঘরে ফিরে যান লিটন দাস।দলের কঠিন সেই মুহূর্তে পুরো দায়িত্ব চলে আসে ইমরুলের কাঁধে।যিনি জিম্বাবুয়ে সিজিরের প্রথম ম্যাচ থেকেই নিজের জাত চেনাচ্ছেন। সিরিজের তৃতীয় ম্যাচের মধ্য দিয়েই সিরিজে প্রথমবারের মত ডাক পাওয়া সৌম্য সরকারকে নিয়ে সে কাজটি বেশ ভালোভাবেই করছেন সদ্য বাবা হওয়া ইমরুল।প্রথম ম্যাচে ১৪৪ রানের ইনিংস খেলে পেয়েছেন ম্যাচ সেরার পুরষ্কার।দ্বিতীয় ম্যাচে মাত্র ১০ রানের জন্য সেঞ্চুরি মিস করলেও,৯০ রানের ইনিংসে নিশ্চিত করেছেন দলের জয়।সেই ধারাবাহিকতা শেষ ম্যাচেও অটুট রাখলেন কায়েস।৯৯ বলে সেঞ্চুরি করেন তিনি। এশিয়া কাপের পর এটি তার ক্যারিয়ারের চতুর্থ সেঞ্চুরি।

সর্বশেষ, ১১৭ রানে আউট হয়ে ফিরে গেলেও। জয়ের দ্বারপ্রান্তে ইমরুল কায়েস লড়াই করছেন মুশফিককে নিয়ে। এ প্রতিবেদক লেখা পর্যন্ত জয়ের জন্যে বাংলাদেশের ২৯ রান দরকার।

একুশে পত্রিকা/আর এইচ

ছবি-আকমাল হোসেন