
চট্টগ্রাম : দ্রুততম সময়ে বিএনপির রাজনীতির পাদপ্রদীপের আলোয় আসা নেতাদের অন্যতম আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। চট্টগ্রামে বিএনপির রাজনীতির শক্ত ভিত তৈরি করে জায়গা করে নেন বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের সর্বোচ্চ ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে।
দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কারান্তরীনের পরও চট্টগ্রামের এই নেতা বিএনপিকে সুগঠিত রাখতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখেন। দলের প্রতি ‘ডেডিকেশন’ সাম্প্রতিক সময়ে তাকে বিএনপির অন্যতম প্রভাবশালী নেতায় পরিণত করে।
চট্টগ্রামের বিএনপি রাজনীতিতে জনপ্রিয় এই নেতা চট্টগ্রামে একটি বড় ধরনের সমাবেশ করে নিজের শক্তিসামর্থ্য প্রমাণের পাশাপাশি চট্টগ্রামকে বিএনপির দুর্ভেধ্য ঘাঁটি হিসেবে প্রমাণ করতে চেয়েছিলেন আমীর খসরু। এজন্য বিভিন্ন সময়ে নগর বিএনপির ব্যানারে সভা-সমাবেশের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন।
যখন অনুমতি মিলল তখন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী নেই। এই প্রথম আমীর খসরুবিহীন ঐক্যফ্রন্টের ব্যানারে বিএনপির বড় কোনো সমাবেশ, শোডাউন হলো। শনিবার চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হয় জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের বিশাল সমাবেশ। আমীর খসরু থাকলে এই সমাবেশ আরো প্রাণবন্ত, অর্থবহ হতো এমনটাই মনে করেন তার অনুসারীরা।
তাদের মতে, আমীর খসরু উপস্থিত থাকলে সমাবেশের শৃঙ্খলা ও সৌন্দর্য্য আরো বৃদ্ধি পেত। আরো বেশি প্রাণচাঞ্চল্য বিরাজ করতো চট্টগ্রামের নেতাকর্মীর মাঝে। কারণ, আমীর খসরুই চট্টগ্রাম বিএনপির প্রাণ, উৎসমূল।
প্রসঙ্গত, নিরাপদ সড়কের দাবিতে ছাত্রআন্দোলনে ফোনে উসকানি দেয়ার অভিযোগে সিএমপির কোতোয়ালী থানায় ছাত্রলীগ নেতার দায়ের করা মামলায় আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এখন জেলে। উচ্চ আদালতের দেয়া জামিনের মেয়াদ শেষে গত ২২ অক্টোবর আদালতে আত্মসমর্পণ করলে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে কারাগারে পাঠান আদালত। বৃহস্পতিবার (২৫ অক্টোবর) আদালত তার একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
একুশে/এটি
