গণমাধ্যমের উপর চলছে সরকারি নিবর্তনমূলক খড়গ : রিজভী

ঢাকা :  একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইসি গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করার অভিযোগ করেছেন বিএনপির সিনিয়র যগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

বুধবার (১৪ নভেম্বর) নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন তিনি। এসময় তিনি নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম কর্তৃক রির্টানিং অফিসারদের দেওয়া নির্দশনারও কঠোর সমালোচনা করেন।

রিজভী বলেন, বর্তমান ইলেকশন কমিশন সরকারের খয়ের খাঁ। সরকারের হুকুমে নানা নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার। এমনিতে একের পর পর এক কালাকানুন তৈরি করে গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করছে সরকার। গণমাধ্যমের উপর চলছে সরকারি নিবর্তনমূলক খড়গ।

রিজভী বলেন, নির্বাচনে গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করতে চায় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এজন্য ভোট কেন্দ্র থেকে সংবাদ মাধ্যমগুলোকে সরাসরি সম্প্রচার বন্ধের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। গতকাল রিটার্নিং অফিসারদের নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম নির্দেশনা দেয়া হয় যে-

* প্রিজাইডিং অফিসারের অনুমতি ছাড়া কোনো ভোটকক্ষে প্রবেশ করা যাবে না।
* এক সঙ্গে ৫ জনের বেশি সাংবাদিক প্রবেশ করতে পারবে না।
* ১০ মিনিটের বেশি কেন্দ্রে অবস্থান করতে পারবে না।
* ভোটকক্ষে নির্বাচনী কর্মকর্তাসহ কারো সঙ্গে আলাপ করতে পারবে না।
* নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাজে হস্তক্ষেপ করতে পারবে না।
* কোনো প্রকার নির্বাচনী উপকরণ স্পর্শ বা অপসারণ করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
* প্রার্থী বা রাজনৈতিক দলের পক্ষে বা বিপক্ষে কোনো ধরনের কর্মকাণ্ড হতে বিরত থাকতে হবে।
* সংবিধান, নির্বাচনী আইন ও বিধিবিধান মেনে চলতে হবে।
* সাংবাদিককে পরিচয়পত্রের উল্টো পিঠের সকল নির্দেশনা মেনে চলতে হবে।

তিনি আরো বলেন, বিভিন্ন গোয়ন্দো সংস্থা প্রতিনিয়ত মিডিয়াকে ওয়াচ এর নামে ধমকিয়ে যাচ্ছে। ভোট ডকাতি ও ভোট কারচুপির খবর যাতে প্রকাশ না হতে পারে, ভোট সন্ত্রাসের খবর যাতে প্রকাশ না হতে পারে সেজন্যই গণমাধ্যমকে সম্পূর্ণরুপে নিয়ন্ত্রণের জন্যই এ কঠোর নীতিমালা।

একুশে/পেসবিজ্ঞপ্তি/আরসি/এসসি