
চবি প্রতিনিধি : ফের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে এক শিক্ষার্থীকে আটক করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তার বিরুদ্ধে প্রক্সির মাধ্যমে উত্তীর্ণ হ্ওয়ার অভিযোগ ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে আটক করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। সে স্নাতক (২০১৮-১৯) প্রথম বর্ষে (সম্মান) শ্রেণীর ভর্তি পরীক্ষায় প্রক্সির মাধ্যমে উত্তীর্ল হয়।
বৃহস্পতিবার (১৫ নভেম্বর) তাকে আটক করা হয়। তার নাম মোহাব্ব্ত আলী (২৬)। কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলার গোরক ঘাটা ইউনিয়নের কতুবজুম গ্রামের আনছারুল করিমের ছেলে মোহাব্বত আলী।
আটক মোহাব্বত আলী (২০১৮-১৯) সনের স্নাতক প্রথম বর্ষের (সন্মান) ভর্তি পরীক্ষায় ‘ডি’-ইউনিট থেকে ১৪৪ তম হয়। ভর্তি পরীক্ষায় তার রোল নাম্বার ছিল( ৫৩১১১৬)।
এদিকে একই উপজেলা মহেশখালীর বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত দুই শিক্ষার্থী দিদারুল ইসলাম ও মো. ফরুকের মাধ্যমে দুই লক্ষ টাকার চুক্তির ভিত্তিতে সে ভর্তি পরিক্ষায় উত্তীর্ণ হয় বলে শিকার করেছে মোহাব্বত আলী।
মোহাব্বত আলী জানায়, চক্তির দুই লক্ষ টাকার মধ্যে এক লক্ষ টাকা পরিশোধ করেছে বলেও সে জানায়। এবং তার পক্ষে ভর্তি পরিক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিলো দিদারুল ইসলাম নামে আরেক জন।
তবে এদের মধ্যে, দিদারুল ইসলামের একাডেমিক তথ্য না জানা গেলেও মো. ফারুক বাংলা বিভাগের (১০-১১) শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় সুত্র।
এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিসে আয়োজিত এক জরুরি সাংবাদিক সম্মেলনে চবি প্রক্টর আলী আজগর চৌধুরি বলেন, আমরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মহব্বতকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করি। এবং প্রক্সির মাধ্যমে ভর্তি হতে আসা শিক্ষার্থীর জবানবন্দিতে আমরা ভর্তি জালিয়াতি চক্রের আরও দুই সদস্য দিদারুল ইসলাম ও মো. ফারুকের বিরুদ্ধে তথ্য প্রমাণ পেয়েছি।
তিনি আরও জানান, প্রক্সির মাধ্যমে ভর্তি হতে আসা ওই শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে পাবলিক পরীক্ষা আইনে মামলা করা হবে। এবং জড়িত বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কঠোর ব্যাবস্থা গ্রহণ করবে।
একুশে/আরএস/এসসি
