‘তালিকা গণমাধ্যমের জন্য নয় প্রত্যয়নপত্র জমা দেয়ার জন্য’

ঢাকা : গণমাধ্যমে প্রকাশিত দুই শতাধিক জনকে মনোনয়নের প্রত্যয়ন দেওয়া হয়েছে এমন প্রতিবেদনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে বলে মন্তব্য করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, তালিকা গণমাধ্যমের জন্য করিনি। আমরা তালিকা করেছি মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার জন্য। আমাদের তালিকা অফিসিয়ালি প্রকাশ করার আগে শোনা কথা এভাবে লিখলে, প্রচার করলে বিব্রত হওয়ারই কথা।

সোমবার (২৬ নভেম্বে) দলের ধানমণ্ডির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের অনুরোধ জানিয়ে বলেন, অনেক প্রার্থী মনোনয়ন পায়নি, তারপরও বিভিন্ন টিভি ও প্রিন্ট মিডিয়ায় প্রকাশ হয়েছে। এই ধরনের বিব্রত বোধ করা থেকে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ করছি।

ঋণ খেলাপী প্রার্থীর কথা উল্লেখ করে কাদের বলেন, কিছু আসনে আমরা একাধিক প্রার্থীকেও মনোনয়ন দিয়েছি। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর আমরা মাঠ পর্যায়ে আরেকটি জরিপ করব। কে আসলে জনগণের কাছে বেশি জনপ্রিয়, এটা আমরা বিবেচনায় নেব। আবার কোনো কোনো প্রার্থী ঋণ খেলাপির মধ্যেও থাকতে পারে। সব মিলিয়ে আমরা বোঝাপড়ার মাধ্যমে মহাজোটের প্রার্থী ঘোষণা করব। আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করব।

কৌশলে এগিয়ে যাওয়ার কথা উল্লেখ করে কাদের বলেন, বিএনপি নির্বাচন থেকে সরে যাবে এমনটা আমরা ভাবছি না। তবে প্রতিপক্ষের যে কৌশল, সেটা তো আমাকে দেখতে হবে। আমি কৌশলে মার খেতে চাই না। কৌশলেও আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।

বিদ্রোহী মানে আজীবন বহিস্কার উল্লেখ করে কাদের বলেন,
বিদ্রোহ মানেই বহিষ্কার। আজীবন বহিষ্কার। আওয়ামী লীগ দিনে দিনে আরও মডার্ন হচ্ছে।বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে নির্বাচিত হলে দলে ফেরত নেওয়া হবে না।

ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচন থেকে সরে পড়ার বাহানা খুঁজছে উল্লেখ করে কাদের বলেন, তবে নির্বাচনের একমাস আগে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা কামাল হোসেনের সিইসিকে অপসারণের দাবি তোলা মানে তারা নির্বাচন থেকে সরে পড়ার বাহানা খুঁজছে।

বিএনপির কৌশল দেখে জোটগত প্রার্থী চুড়ান্তের কথা জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগ নিজেদের প্রার্থী ঠিক করলেও বিএনপির কৌশল দেখে জোটগত প্রার্থী চূড়ান্ত করবে। টেকনিক্যাল এবং স্ট্র্যাটেজিক্যাল কারণে আমরা আমাদের জোটগত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ আজকে করছি না। আমাদের প্রার্থীদের স্ক্রুটিনি শেষ হওয়ার পর সার্বিক অবস্থা বিবেচনায় এনে আমরা জোটের তালিকা প্রকাশ করব।

একুশে/এসসি