‘ সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না’

ঢাকা : দু’বছর বা তার বেশি সাজাপ্রাপ্তরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না বলে আদেশ দিয়েছে আপিল বিভাগ। সেইসঙ্গে যশোর-২ আসনে বিএনপি প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সাজা স্থগিত করে দেয়া হাইকোর্টের আদেশটি স্থগিত করেছে আপিল বিভাগ। ফলে দুর্নীতির দায়ে অন্যূন দুই বছর সাজা হলে নির্বাচনের সুযোগ থাকছে না দণ্ডিত ব্যক্তির।

রোববার (২ ডিসেম্বর) এ আদেশ দেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে সাত সদস্যের আপিল বেঞ্চ।

গতকাল শনিবার যশোর-২ আসনের বিএনপির প্রার্থী সাবিরা সুলতানাকে দুর্নীতির মামলায় বিচারিক আদালতের দেয়া দণ্ড ও সাজা স্থগিত বিষয়ে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করেছেন চেম্বার বিচারপতি। পরে এ বিষয়টি নিয়ে আজ আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানি হয়।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। অপরপক্ষে শুনানি করেন এ জে মোহাম্মদ আলী, তাকে সহযোগীতা করেন অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম।

বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের একটি একক বেঞ্চ যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান সাবিরা সুলতানার দণ্ড ও সাজা স্থগিতের আবেদন মঞ্জুর করেন। এই আদেশের পর তার আইনজীবী জানিয়েছিলেন, দণ্ড স্থগিত হওয়ায় সাবিরার নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বাধা দূর হয়েছে। কিন্তু আজ আপিল বিভাগের আদেশের ফলে সাবিরার নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আর কোনো সম্ভাবনাই থাকলো না।

ওই মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০০৯ সালের ২৪ মে সাবিরা সুলতানা তার ৫৫ লাখ ৭৮ হাজার ১৩৫ টাকা সম্পদের হিসাব জমা দেন দুদকে।

পরবর্তী সময়ে দুককের অনুসন্ধানে দেখা যায় ৪৫ লাখ টাকার সম্পদের বিষয়ে ভিত্তিহীন ও মিথ্যা তথ্য দেওয়াসহ ১ কোটি ৭৮ হাজার ১৩৫ টাকার সম্পত্তি অসাধু উপায়ে অর্জন করেছেন তিনি। যা তার বৈধ আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ।

এ ঘটনায় গত ২০১০ সালের ২০ জুলাইহয়ে ধানমন্ডি থানায় মামলা দায়ের করেন দুদকের তৎকালিন সহকারী পরিচালক সৈয়দ আহমেদ। এরপর ওই বছর ২৫ জুলাই ৯ জনকে সাক্ষী করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। ২০১১ সালের ৯ নভেম্বর আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত।

একুশে/আরসি/এসসি