
চবি প্রতিনিধি : বেগম খালেদা জিয়ার নামে স্থাপিত ছাত্রী হলের নামফলক খুলে ফেলা একটি সম্পূর্ণ পরিকল্পিত এবং সন্ত্রাসী ঘটনা বলে অখ্যায়িত করেছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী শিক্ষকদের সংগঠন সাদা দল ও জিয়া পরিষদ। বাংলাদেশের রাজনীতির প্রতিহিংসা পরায়ণতারই সুস্পষ্ট প্রতিফলন বলে মন্তব্য করেন শিক্ষকদের এই সংগঠনটি।
বুধবার (৫ ডিসেম্বর) এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে শিক্ষকদের স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সাদা দলের মুখপাত্র ড. মো. আতিয়ার রহমান বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার নামে স্থাপিত ছাত্রী হলের নামকরণ বিশ্ববিদ্যালয় সর্বোচ্চ পর্ষদ সিন্ডিকেটের মাধ্যমে হয়ে থাকে এবং এটির পরিবর্তন, পরিমার্জন অবশ্যই প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের বিষয়। ছাত্রী হলের নামফলক খুলে ফেলা একটি সম্পূর্ণ পরিকল্পিত এবং সন্ত্রাসী ঘটনা।
তিনি বলেন, নাম ফলক তুলে ফেলার সাথে বিশ্ববিদ্যালয়কে অস্থির করার অপপ্রয়াসও জড়িত আছে বলে মনে করেন তিনি। এসময় অবিলম্বে এ ঘটনার সাথে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং নামফলক পুনঃস্থাপনেরও দাবি জানিয়েছেন।
একই ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে বিবৃতি জানায় শাখা ছাত্রদল। খালেদার নাম ফলক তুলে ফেলার কঠোর জবাব দেয়া হবে বলে এতে হুঁশিয়ার করা হয়।
চবি জিয়া পরিষদের সভাপতি প্রফেসর ড. সিদ্দিক আহমেদ চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. মোঃ আবদুল মান্নান স্বাক্ষরিত অপর এক বিবৃতিতে বলা হয়, নির্বাচনের আগ মুহূর্তে দেশের জনগণ যখন সকল রাজনৈতিক দল, সংগঠন ও নেতাকর্মীদের কাজ থেকে সহনশীলতা ও শ্রদ্ধাবোধ আশা করছে, ঠিক তখন একটি ছাত্র সংগঠনের উদ্বতপূর্ণ আচরণ দেশবাসীকে হতবাক করেছে। তাদের এমন কর্মকান্ড সরকার ও নির্বাচন কমিশন কঠোর হস্তে দমন করবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারী শিক্ষকদের মধ্যে প্রফেসর ড. এম. আতিকুর রহমান, প্রফেসর ড. মো. মোজাফফর আহমদ, প্রফেসর ড. মো. কামাল হোসাইন, প্রফেসর ড. মোকতার আহমদ, প্রফেসর ড. মো. আবদুল করিম, প্রফেসর ড. শওকতুল মেহের, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান, প্রফেসর ড. মো. আশরাফুল ইসলাম, প্রফেসর ড. ইমাম হোসেন, প্রফেসর ড. আকতার হোসেন, প্রফেসর ড. মো. সাইফুল ইসলাম, প্রফেসর ড. মো. কামাল উদ্দিন, প্রফেসর ড. মো. আতিয়ার রহমান ও প্রফেসর ড. তানভীর মোহাম্মদ হায়দার আরিফ প্রমুখ রয়েছেন।
একুশে/আইসি/এসসি
