
একুশে ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের পথ ধরে সর্বশেষ অস্ট্রেলিয়াও জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানীর স্বীকৃতি দিয়েছে। কয়েক দশকের মধ্যপ্রাচ্যনীতির পরিবর্তন ঘটিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে পশ্চিম জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানীর স্বীকৃতি দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। শনিবার অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন এই ঘোষণা দিয়েছেন।
এর আগে ৬ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের স্বীকৃতির সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন ট্রাম্প। ওই সময় ট্রাম্পের ঘোষণার পর পরই বিক্ষোভে নামেন ফিলিস্তিনিরা। বিশ্বজুড়ে ঝড় ওঠে নিন্দা আর প্রতিবাদের।
ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, পশ্চিম জেরুজালেমকে ইসরায়েলি রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দিলেও শিগগিরই অস্ট্রেলীয় দূতাবাস স্থানান্তর করা হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন মরিসন।
সিডনিতে সাংবাদিকদের অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী বলেন, অস্ট্রেলিয়া এখন পশ্চিম জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন। আমরা পশ্চিম জেরুজালেমে দূতাবাস স্থানান্তর করব যখন বাস্তব পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে এবং চূড়ান্ত অবস্থা পর্যালোচনার পর।
দূতাবাসের জন্য নতুন স্থান নির্বাচনের কাজ চলছে বলে জানান তিনি। মরিসন জানান, মধ্যবর্তী সময়ে পবিত্র শহরে একটি প্রতিরক্ষা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় চালু করবে অস্ট্রেলিয়া।
একই সঙ্গে অস্ট্রেলীয় প্রধানমন্ত্রী ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাত সমাধানে দুই রাষ্ট্র সমাধানের প্রতি সমর্থনের কথা জানান। পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের প্রতি সমর্থনের কথাও ব্যক্ত করেছেন।
অক্টোবরে মরিসন জানিয়েছিলেন জেরুজালেমে অস্ট্রেলীয় দূতাবাস স্থানান্তরে তার সম্মতি রয়েছে। এবছর মে মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তেল আবিব থেকে জেরুজালেমে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস স্থানান্তর করেন। ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তে ইসরায়েল খুশি হলেও ফিলিস্তিন, আরব বিশ্ব ও কয়েকটি পশ্চিমাদেশ ক্ষোভ প্রকাশ করেছে।
একুশে/ডেস্ক/এসসি
