যানজট ও জলাবদ্ধতা চট্টগ্রামবাসীর নিত্যদিনের দুর্ভোগ

চট্টগ্রাম: চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিন বলেছেন, যানজট ও জলাবদ্ধতা নগরবাসীর নিত্যদিনের দুর্ভোগ। এ দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পেতে সিটি করপোরেশন, সিডিএ ও পুলিশকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

সোমবার চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে বন্দর পতেঙ্গা এলাকার যানজট ও জলাবদ্ধতা শীর্ষক এক নাগরিক সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জেলা প্রশাসক বলেন, নগর উন্নয়নে সমন্বিত পরিকল্পনা না থাকায় চট্টগ্রামবাসী দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। বিশ্বমানের নগরী গড়ে তুলতে হলে বিশ্বমানের চিন্তাও থাকতে হবে। নগর উন্নয়ন পরিকল্পনা টিম না থাকায় অপরিকল্পিতভাবে নগরী গড়ে ওঠছে। এতে বাড়ছে যানজট ও জলাবদ্ধতাসহ নাগরিক দুর্ভোগ।

তিনি বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসনে সিডিএ এবং সিটি করপোরেশন একজোট হয়ে কাজ করতে হবে। বন্দর এলাকায় মহেশখালের ওপর বাঁধ নির্মাণ জলাবদ্ধতার অন্যতম কারণ।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন ও কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) আয়োজিত এ নাগরিক সংলাপে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন দৈনিক সুপ্রভাত বাংলাদেশের প্রধান প্রতিবেদক ভূঁইয়া নজরুল। প্রবন্ধে তিনি নগরীর যানজট ও জলাবদ্ধতা নিরসনে আটটি প্রস্তাবনা পেশ করেন।

ভূঁইয়া নজরুল বলেন, সময় থাকতে সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ না করলে এমন এক সময় আসবে চট্টগ্রাম বসবাসের জন্য অযোগ্য হয়ে পড়বে। যানজট নিরসনে যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং, সড়কের পাশে কন্টেইনার টার্মিনালগুলোকে অন্যত্র সরিয়ে নিতে হবে।

সংলাপে প্যানেল আলোচক ছিলেন পরিকল্পিত চট্টগ্রাম ফোরামের সহ সভাপতি প্রকৌশলী সুভাষ বড়–য়া, সনাক সভাপতি প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদার, প্রকৌশলী জেরিনা হোসেন, কাউন্সিলর সৈয়দ গোলাম হায়দার মিন্টু, অ্যাডভোকেট জানে আলম ও সাংবাদিক নাসিরুল হক।