২৬ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৬, বুধবার

দ্বিতীয় দিনেও শ্রমিকদের বিক্ষোভ , বাসে আগুন

প্রকাশিতঃ সোমবার, জানুয়ারি ৭, ২০১৯, ৩:০৮ অপরাহ্ণ

ঢাকা : দ্বিতীয় দিনের মতো নূন্যতম মজুরি কাঠামো বৃদ্ধি ও বাস্তবায়নের দাবিতে উত্তরা-বিমানবন্দরে অবস্থান নিয়েছে পোশাক শ্রমিকরা। এসময় শ্রমিক-পুলিশের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। অবরোধের মধ্যেই (সোমবার) দুপুর সোয়া ১টার দিকে বিমানবন্দর গোলচত্বরে এনা পরিবহনের একটি বাসে আগুন দেয়া হয়েছে জানায় ফায়ার সার্ভিস সদরদফতর কন্ট্রোল রুমের ডিউটি অফিসার এরশাদ।

একই দাবিতে গাজীপুরে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ করেছেন পোশাক শ্রমিকরা। সোমবার সকাল থেকে শ্রমিকরা বিভিন্ন গার্মেন্ট থেকে বিক্ষোভ সহকারে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে নেমে আসেন। এক পর্যায়ে তারা ওই মহাসড়কে বিভিন্ন পরিত্যাক্ত বস্তু ও টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে অবরোধ করেন। ফলে ওই সড়কে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
এসময় শ্রমিক-পুলিশের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ১৫ শ্রমিক আহত হন। পরে পুলিশ কয়েক রাউন্ড টিয়ার সেল নিক্ষেপ করে শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানান, অবরোধের একপর্যায়ে উত্তরা ৪ নম্বর সেক্টর ও দক্ষিণখানের পুলিশের সঙ্গে শ্রমিকদের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। বর্তমানে আব্দুল্লাহপুর থেকে উত্তরা-বিমানবন্দর সড়কের দু’পাশ বন্ধ রয়েছে।

গাছা ও উত্তরা পশ্চিম থানার ওসি বলেন, শ্রমিকদের যৌক্তিক দাবিকে আমরা শ্রদ্ধা জানাই, তবে কিছু দাবি অযৌক্তিকও আছে। অনেক গার্মেন্ট কারখানা সরকারি মজুরি কাঠামো মেনে বেতন দেয় কিন্তু সেখানকার শ্রমিকরাও সড়কে নেমেছে। আমরা তাদের সঙ্গে সমঝোতা করে সরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছি।

শ্রমিকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নতুন মজুরি কাঠামো অনুযায়ী ৫১ শতাংশ মজুরি বৃদ্ধি শুধু সপ্তম গ্রেডের ক্ষেত্রেই দিচ্ছে মালিকরা। সমান মজুরি দেয়া হচ্ছে না, মূল্যায়ন করা হচ্ছে না অভিজ্ঞতা ও দক্ষতাকে।

রোববার দুপুরে মালিকপক্ষ আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন। তবে সে আশ্বাস উপেক্ষা করে সোমবার সকাল থেকে আবারও তারা মাঠে নেমেছেন শ্রমিকরা।

একুশে/এসসি