২৩ মে ২০১৯, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, বুধবার

বিনামূল্যে স্বাস্থ্য সেবা, শীতবস্ত্র ও শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ করেছে কণিকা

প্রকাশিতঃ রবিবার, জানুয়ারি ১৩, ২০১৯, ৬:৩৩ অপরাহ্ণ


কক্সবাজার: কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার সুবিধাবঞ্চিত গ্রাম রংমহলে ২ শতাধিক মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র ও শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ এবং বিনামূল্যে স্বাস্থ্য সেবা দিয়েছে স্বেচ্ছায় রক্তদাতাদের সংগঠন ‘কণিকা -একটি রক্তদাতা সংগঠন’।

শনিবার আয়োজিত এই কর্মসূচিতে সহযোগী হিসেবে ছিল স্থানীয় সামাজিক সংগঠন ‘রংমহল সমিতি’।

দুই শতাধিক মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণের পাশাপাশি শীতের প্রকোপ থেকে দুস্থ মানুষদের একটু স্বস্থির ছোঁয়া দিতে তাদেরকে ভ্যাসলিন প্রদান করা হয়। এছাড়াও ডাক্তারদের দ্বারা বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দেয়া হয় এবং ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী প্রাথমিক ঔষধপত্র বিনামূল্যে সরবরাহ করা হয়।

তাছাড়া স্থানীয় যুবকদের মাঝে মাদকের কুফল ও রক্তদানে সচেতন করতে একটি সচেতনতামূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মশালায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন কণিকার সিনিয়র সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ সায়েম। তিনি মাদকের কুফল সম্পর্কে যুবসমাজকে অবহিত করেন এবং রক্তদানের প্রয়োজনীয়তাগুলো তুলে ধরেন।

এর আগে কণিকার প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক সভাপতি সাইফুল্লাহ মনিরের সূচনা বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার-১ আসনের সাংসদ জাফর আলম।

তিনি বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় যুব সমাজকে সাথে নিয়ে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। তাই মাদক থেকে বিরত থেকে এ ধরণের সামাজিক কাজে আরো বেশি বেশি অংশগ্রহণ করার মাধ্যমে দেশের উন্নয়নের অংশীদার হতে হবে।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের সাবেক ডিন প্রফেসর মনসুর উদ্দিন আহমেদ, ঢাকার গুলশান জোনের এএসপি জুনাইদ আলম সরকার, রংমহল সমিতির সভাপতি আবদুর রহমান, রংমহল সমিতির পরিচালক মো. মিজানুর রহমান প্রমুখ।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন কণিকার সভাপতি সাঈদ আহমেদ নাসিফ। তিনি তার বক্তব্যে মানবসেবায় কণিকার এই দুর্বার অগ্রযাত্রায় সবাইকে পাশে থাকার আহ্বান জানান। নাঈমুল হাসানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ইশতিয়াক সবুজ।

সংগঠনটি প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে শুরু করে গত ছয় বছর যাবত অন্যান্য নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি দেশের প্রত্যন্ত ও দুর্গম অঞ্চলে বিনামূল্যে শীতবস্ত্র বিতরণ এবং ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় ষষ্ঠবারের মতো এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।