সাতকানিয়ায় আ.লীগ নেতা খুনের ঘটনায় আটক নেই

police line murderচট্টগ্রাম: চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় গুলিতে আওয়ামী লীগের নেতা জহিরুল হাসান (৪৫) নিহতের ঘটনার রহস্য উদঘাটন করা যায়নি। এ ঘটনায় কেউ আটকও নেই। শনিবার রাত ৯টার দিকে কাঞ্চনা ইউনিয়নের বকশিরকিল গ্রামের নিজ বাড়ির বাইরে মুখোশ পরা দুর্বৃত্তরা তাকে গুলি করে পালিয়ে যায়।

সাতকানিয়া থানার ওসি ফরিদ উদ্দিন খন্দকার বলেন, হত্যার ঘটনায় কারা জড়িত তা এখনো বের করা যায়নি। সন্দেহভাজন কাউকে আটক করা হয়নি। জহিরুল হাসান পুলিশের সোর্স হিসেবে কাজ করতেন। সে হিসেবে পেশাদার কোন অপরাধী এতে জড়িত বলে ধারণা করা হচ্ছে। হত্যাকারীদের সনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। রোববার সন্ধ্যা পর্যন্ত মামলা হয়নি; তবে রাতের দিকে মামলা রেকর্ড করা হবে। মামলায় নিহতের স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস বাদি হবেন।

নিহত জহিরুলের স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, গুলির আওয়াজ শুনে দরজা খুলে দেখি দুজন লোক পালাচ্ছে। কারা এতে জড়িত আমি বুঝতে পারছি না।

এর আগে শনিবার রাত ৯টার দিকে গুলি করার পর আহত জহিরুল হাসানকে দ্রুত উদ্ধার করে সাতকানিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। রোববার নিহতের লাশের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। নিহত জহিরুল হাসান ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি স্থানীয় বাসিন্দা কবির আহমেদের ছেলে।