সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯, ২ পৌষ ১৪২৬

হঠাৎ জাতীয় পার্টিতে নতুন মেরুকরণ

বিরোধীদলীয় উপনেতা রওশন

প্রকাশিতঃ শনিবার, মার্চ ২৩, ২০১৯, ৭:১৪ অপরাহ্ণ

ঢাকা : জি এম কাদেরকে সংসদে প্রধান বিরোধীদলীয় উপনেতা থেকে অপসারণ করে রওশন এরশাদকে প্রধান বিরোধীদলের উপনেতা করেছেন দলটির চেয়ারম্যান হুসাইন মোহাম্মদ এরশাদ।

শনিবার (২৩ মার্চ) বিকালে জাতীয় সংসদের স্পিকারকে এ সংক্রান্ত বিষয়ে চিঠিও দিয়েছেন এরশাদ।

জাতীয় পার্টির গঠনতন্ত্রের ২০/১/ক ধারা অনুযায়ী এমন সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে চিঠিতে বলা হয়, ‘জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান, প্রধান বিরোধী দলীয় নেতা এবং পার্লামেন্টারি কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে আমি প্রধান বিরোধীদলের উপনেতার পদ থেকে জনাব গোলাম মোহাম্মদ কাদেরকে অপসারণ করছি। এখন প্রধান বিরোধীদলের উপনেতার পদে বেগম রওশন এরশাদকে মনোনীত করা হল’।

২০১৬ সালে কাদেরকে কো-চেয়ারম্যান করলে দলের একটি অংশ ক্ষুব্ধ হয়ে উঠে। পরে জ্যেষ্ঠ কো-চেয়ারম্যানে পদ সৃষ্টি করে তাতে স্ত্রী রওশনকে বসান এরশাদ।

গত ১ জানুয়ারি এরশাদ এক বিবৃতিতে দলে তার উত্তরসূরি হিসেবে জি এম কাদেরকে মনোনীত করলে এরশাদের অনুপস্থিতিতে কাদেরের দায়িত্ব গ্রহণের পর ‘রওশনপন্থি’ হিসেবে পরিচিত নেতারা নাখোশ মনোভাবও দেখিয়েছেন বিভিন্ন সভায়।

দলের একাধিক সুত্র জানিয়েছে, জাতীয় পার্টিতে সদস্য হয়ে হুট করে সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বা চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা বনে যাওয়া, দলের পুরনো নেতাদের টপকে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে এখতিয়ার পেয়ে যাওয়া নিয়ে দলে দেখা দিয়েছে কোন্দল। দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সভায় মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গাঁর উপস্থিতিতে এ নিয়ে বাহাসে জড়িয়ে পড়েছিলেন নেতারা।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ওয়ান ইলেভেনের আলোচিত সেনা কর্মকর্তা মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর দলে অন্তর্ভুক্তি নিয়েও নাটক কম হয়নি। প্রথমে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চেয়ে ব্যর্থ হয়ে তিনি ভেড়েন জাতীয় পার্টিতে। পরে তিনি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টাও বনে যান।

গতকাল (শুক্রবার) রাতে দলের কো-চেয়ারম্যানের পদ থেকে জি এম কাদেরকে অব্যাহতি দেওয়ার পর তিনি সংসদে দলের উপনেতার পদে থাকবেন কি না, সে বিষয়ে পার্টির সংসদীয় কমিটির বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন এরশাদ।

তবে সংসদীয় কমিটির বৈঠকে নয়, জি এম কাদেরকে দল থেকে হটিয়ে দিতে এরশাদ ‘একাই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন’ বলে জানিয়েছেন দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য খালেদ আখতার।

একুশে/এসসি

মহান বিজয় দিবস ২০১৯ উপলক্ষে একুশে পত্রিকা কর্তৃক একটি বিশেষ সংখ্যা প্রকাশের উদ্যেগকে স্বাগত জানাই। বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের পক্ষ হতে উক্ত প্রকাশনার সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে জানাই-

বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা

একটি সুখী, সমৃদ্ধ, ক্ষুধা ও দারিদ্র স্বপ্নীল ও ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার এবং সন্ত্রাসমুক্ত পরিবেশ প্রতিষ্টার প্রত্যয় নিয়ে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ নিজস্ব উন্নয়ন কর্মসূচি এবং ২৮ টি ন্যস্ত বিভাগের বিভাগীয় কার্যক্রমের সমন্বয় সাধনসহ নিম্নবর্ণিত কার্যদি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছেঃ

১) শিক্ষা
২) স্বাস্থ্য সেবা
৩) কৃষি
৪) মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ
৫) ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প
৬) যোগাযোগ
৭) পানীয় জল ও স্যানিটেশন
৮) সমবায় ও সমাজ সেবা কার্যক্রম
৯) ক্রীড়া ও সংস্কৃতি কর্মকান্ড
১০) স্থানীয় পর্যটন
১১) আইসিটি সেক্টর উন্নয়ন এবং
১২) মানব সম্পদ উন্নয়ন ইত্যাদি।

একটি উন্নত, সমৃদ্ধ, আধুনিক ও সম্প্রীতিত মডেল জেলা হিসেবে বান্দরবানকে গড়ে তোলাই হলো আমাদের দৃঢ় অঙ্গীকার-

ক্য শৈ হ্লা
চেয়ারম্যান
বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ
বান্দরবানান