২৩ মে ২০১৯, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, বুধবার

‘বিদেশি চ্যানেলে বিজ্ঞাপন বন্ধে ১ এপ্রিল থেকে আইনী ব্যবস্থা’

প্রকাশিতঃ শনিবার, মার্চ ৩০, ২০১৯, ৫:২২ অপরাহ্ণ

ঢাকা : তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহ্মুদ বিদেশি চ্যানেলে বিজ্ঞাপন প্রচার বন্ধের বিষয়টি ক্যাবল অপারেটেরদের আবারও স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেছেন, ‘ বিদেশি চ্যানেলে বিজ্ঞাপন প্রচার আইনত দণ্ডনীয়। ক্যাবল অপারেটেরবৃন্দ এ আইন মেনে চলার শর্তেই ব্যবসা পরিচালনায় নেমেছেন। পয়লা এপ্রিল থেকে এবিষয়ে আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

মন্ত্রী শনিবার দুপুরে রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমির নাট্যশালা সম্মেলন কক্ষে সম্প্রচার সাংবাদিক কেন্দ্র (ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার) আয়োজিত ‘সংকটে বেসরকারি টেলিভিশন’ সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন।

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি রেজওয়ানুল হক রাজার সভাপতিত্বে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, চ্যানেল ২৪ এর মালিক এ কে আজাদ, বেঙ্গল কমিউনিকেশন্স’র নির্বাহী চেয়ারম্যান আফসার খায়ের মিঠু, জিটিভি ও সারাবেলার প্রধান সম্পাদক সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা, চ্যানেল ২৪ এর রাহুল রাহা, একাত্তর টেলিভিশনের হেড অব নিউজ শাকিল আহমেদ প্রমুখ সেমিনারে বক্তব্য রাখেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘কিছু বিদেশী চ্যানেল বাংলাদেশে জনপ্রিয় হওয়ায় এদেশের কিছু প্রতিষ্ঠানও সেই চ্যানেলগুলোর মাধ্যমে বিজ্ঞাপন প্রচার করছে। এত করে দেশি টিভি চ্যানেলগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আইনের প্রয়োগ হলে দেশি চ্যানেলগুলো বছরে ৩০০ থেকে ৫০০ কোটি টাকার ব্যবসা পাবে বলে আশা করা যায়।’

এসময় ক্যাবল সংযোগে রাষ্ট্রীয় চ্যানেলগুলোর পরই দেশের বেসরকারি টিভি চ্যানেলগুলোকে তাদের সম্প্রচারের তারিখ অনুযায়ী ক্রমে রাখার বিধিটির কথাও উল্লেখ করেন তথ্যমন্ত্রী।

ড. হাছান মাহমুদ নিজেই বেসরকারি টেলিভিশনগুলোর সমস্যা চিহ্নিত করে সেমিনারে বলেন, ‘চ্যানেলের সংখ্যাবৃদ্ধি, বিজ্ঞাপনের বাজার ছোট হওয়া, অনলাইনে বিজ্ঞাপনবৃদ্ধি ও অনলাইন পত্রিকাতেও ভিডিও সম্প্রচার বেসরকারি টিভিগুলোর সামনে চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এবিষয়গুলোকে যুগোপযোগী আইন ও ব্যবস্থার মাধ্যমে সমাধানে সকলের সহায়তা প্রয়োজন।’

উন্নত রাষ্ট্রের পাশাপাশি উন্নত জাতি গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘উন্নত জাতি গড়তে বস্তুগত উন্নতির পাশাপাশি আত্মিক উন্নয়ন প্রয়োজন। আর টিভি চ্যানেলগুলো এক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখতে পারে। জনগণ ও নতুন প্রজন্মের মনে বিরূপ প্রভাব উদ্রেককারী কোনো কিছুর সম্প্রচার সমীচিন নয়।’

একুশে/প্রেসবিজ্ঞপ্তি/এটি