২৩ মে ২০১৯, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, বুধবার

আগামীকাল পবিত্র শবে মেরাজ

প্রকাশিতঃ মঙ্গলবার, এপ্রিল ২, ২০১৯, ৬:২৯ অপরাহ্ণ

ঢাকা : আগামীকাল (বুধবার) সারাদেশে যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ পরিবেশে পালিত হবে পবিত্র শবে মেরাজ। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা ইবাদত-বন্দেগি কোরান তেলাওয়াতের মাধ্যমে পবিত্র এই রাতটি অতিবাহিত করবেন। এদিন অনেকে নফল রোজাও রাখবেন।

ফারসি ‘শব’ এর অর্থ-রাত্র বা অন্ধকার এবং আরবি ‘মেরাজ’ এর অর্থ- ঊর্ধ্বারোহণ। ইসলাম ধর্ম অনুযায়ী, ২৬ রজব দিবাগত রাতে ঊর্ধ্বাকাশে গমন করে মহানবী হয়রত মোহাম্মদ (স.) আল্লাহ তা’য়ালার দিদার লাভ করেন। মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সা.) এর ২৩ বছরের নবুওয়তি জীবনের অন্যতম অলৌকিক ও তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা হলো “মেরাজ”। তাই শবে মেরাজ মুসলমানদের কাছে বিশেষ মর্যাদার।

ইসলামের ইতিহাস অনুযায়ী, মহানবী হযরত মুহাম্মদের (সা:) নবুওয়াত প্রকাশের একাদশ বৎসরের (৬২০ খ্রিষ্টাব্দ) রজব মাসের ২৬ তারিখ রাতে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা:) প্রথমে কাবা শরিফ থেকে জেরুজালেমে অবস্থিত বায়তুল মুকাদ্দাস বা মসজিদুল আকসায় গমন করেন। সেখানে তিনি নবীদের জামায়াতে ইমামতি করেন। অতঃপর তিনি বোরাক নামক বিশেষ বাহনে আসীন হয়ে ঊর্ধ্বলোকে গমন করেন। ঊর্ধ্বাকাশে সিদরাতুল মুনতাহায় আল্লাহ’র দিদার লাভ করেন মহানবী। এই সফরে জিবরাইল ফেরেশতা তার সফরসঙ্গী ছিলেন।

সেখান থেকে আল্লাহর পক্ষ থেকে উম্মতের জন্য ৫ ওয়াক্ত নামাজ উপহার নিয়ে পৃথিবীতে ফিরে আসেন মহানবী। মেরাজের রজনীতে বিশ্ব মানবতার মুক্তির লক্ষ্যে ইসলামকে একটি পূর্ণাঙ্গ ও সর্বজনীন জীবন ব্যবস্থা হিসেবে রূপ দেয়ার জন্য আল্লাহর কাছ থেকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা পান তিনি। মেরাজকালে সৃষ্টিজগতের সবকিছুর রহস্য স্বচক্ষে অবরোকন করেন মহানবী (সা.)।

একুশে/আরসি/এসসি