২৭ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৬, বুধবার

নুরু হত্যার বিচার এদেশে একদিন হবেই : শাহাদাত

প্রকাশিতঃ মঙ্গলবার, এপ্রিল ২, ২০১৯, ১১:৪৩ অপরাহ্ণ

চট্টগ্রাম : মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, কেন্দ্রীয় ছাত্রদল নেতা শহীদ নুরুল আলম নুরু ছিলেন গণতান্ত্রিক আন্দোলনের রাজপথের অকুতোভয় সৈনিক ও দক্ষ সংগঠক। তিনি জাতীয়তাবাদী হেল্প সেল গঠনের মাধ্যমে সরকারের নির্যাতনের শিকার নেতাকর্মীদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। তার সাংগঠনিক কর্মদক্ষতায় নেতাকর্মীরা উজ্জ্বীবিত থাকতেন।

তিনি মঙ্গলবার বিকেলে নগরীর নাছিমন ভবনস্থ দলীয় কার্যালয়ে নুরুল আলম নুরুর দ্বিতীয় শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে নুরু স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে আয়োজিত স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

ডা. শাহাদাত বলেন, সরকার তাদের অবৈধ ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করতে সেদিন নুরুকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছিলো। নুরু হত্যাকাণ্ডে সারাদেশের মানুষ সেদিন শিউরে উঠেছিলো। এ বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের বিচার এদেশে একদিন হবেই।

স্মরণ সভায় চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেন, সারাদেশে বিরোধী নেতাকর্মীদের হত্যাকাণ্ডের ধারাবাহিকতায় ছাত্রদল নেতা নুরুকে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের মদদে নির্মম নির্যাতনের মাধ্যমে হত্যা করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আবু সুফিয়ান বলেন, শহীদ নুরুল আলম নুরু রাষ্ট্রীয় রোষানলে পড়া সত্ত্বেও তার নীতি-আদর্শ থেকে কখনো বিচ্যুত হননি। তিনি সাহসিকতার সাথে অগণতান্ত্রিক শক্তির বিরুদ্ধে তার নির্ভীক নেতৃত্ব দিয়ে আমাদেরকে প্রেরণা জুগিয়েছেন।

সভাপতির বক্তব্যে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ও নুরু স্মৃতি সংসদের আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন বলেন, নুরু হত্যাকাণ্ড আওয়ামী শাসনের পৈশাচিকতার নির্মম নিদর্শন।

স্মরণসভার আগে বাদে আসর দলীয় কার্যালয় সংলগ্ন জামে মসজিদে নুরুর আত্মার শান্তি কামনায় দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। এতে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান, আরাফাত রহমান কোকো ও নুরুল আলম নুরুর আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

এসময় বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ নেতাকর্মীদের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন জামে মসজিদের খতিব মাওলানা এহসানুল হক।

কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সভাপতি মো. সরওয়ার উদ্দিন সেলিম-এর পরিচালনায় স্মরণসভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মো. ইকবাল চৌধুরী, জাহিদুল করিম কচি, শাহেদ বক্স, সামসুল হক, কামরুল ইসলাম, মনজুর রহমান চৌধুরী, আবদুল হালিম স্বপন, মো: ইদ্রিস আলী, আলহাজ্ব জাকির হোসেন, মো: মোরসালিন, মাঈনুদ্দিন মাহমুদ, জাফর আহমেদ চৌধুরী, শফিউল জামান, এম রফিকুল ইসলাম, মো: কামাল মেম্বার, নিজাম উদ্দিন, এম ইলিয়াছ আলী, আবু বকর সোহেল, এস.এম মহিউদ্দিন মাসুদ, এরশাদ হোসেন, জিয়াউর রহমান জিয়া, জমির উদ্দিন নাহিদ, ইউছুপ তালুকদার, আসাদুর রহমান টিপু, সাইদ আমান, নিজাম উদ্দিন খান, নিজাম উদ্দিন লিটন, ওয়াসিম রেজা, অ্যাডভোকেট মাঈনুদ্দিন, আলাউদ্দিন মহসিন, এস.এম রাশেদুল আলম, সাইফুল ইসলাম তালুকদার, কাজী এরশাদ উদ্দিন, শফিউল আজম, জিয়া উদ্দিন ফরহাদ, শওকত আলী, আদনান মাহমুদ চৌধুরী, মো: হোসেন, নাজমুল হক চৌধুরী, জিয়া উদ্দিন মিজান, এমজি কিবরীয়া, সৌরভ প্রিয় পাল, রায়হান আলম, কামরুল ইসলাম কুতুবী প্রমুখ।

একুশে/প্রেসবিজ্ঞপ্তি