
চট্টগ্রাম : রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় চিরবিদায় নিলেন সাবেক কাস্টমস কর্মকর্তা, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আইয়ুব রানা। শনিবার বাদ আছর নগরের আগ্রাবাদ সিডিএ আবাসিক এলাকা জামে মসজিদে নামাজে জানাযা শেষে স্থানীয় পারিবারিক কবরস্থানে তাঁর দাফন সম্পন্ন হয়।
এসময় জেলা প্রশাসকের পক্ষে সহকারী কমিশনার (ভূমি-সদর) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফোরকান এলাহি অনুপমের নেতৃত্বে ডবলমুরিং থানার এএসআই মোঃ আবদুস সাত্তারসহ পুলিশের একটি চৌকস দল প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধা আইয়ুব রানাকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। একই সাথে চট্টগ্রাম পুলিশ কমিশনারের পক্ষে মরহুমের পুত্রের হাতে একটি শোক ক্রেস্ট তুলে দেয়া হয়।
এসময় জেলা প্রশাসন, মহনগর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নেতৃবৃন্দ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের নেতৃবৃন্দ, পরিবারের সদস্যবৃন্দ ও অন্যান্য সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা বীর মুক্তিযোদ্ধা আইয়ুব রানার মরদেহে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
জানাজায় বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চট্টগ্রাম মহানগর ইউনিট কমান্ডের সহকারি কমান্ডার সাধন চন্দ্র বিশ্বাস, সহকারি কমান্ডার নৌ-কমান্ডো মোঃ হোসেন, ইঞ্জিনিয়ার মুজিবুল হায়দার চৌধুরী, নৌ-কমান্ডো আনোয়ার মিয়া, খুলশী থানা কমান্ডার মোঃ ইউছুপ, কোতোয়ালী থানার ডেপুটি কমান্ডার মোঃ রফিকুল আলম, হালিশহর থানার ডেপুটি কমান্ডার আবুল কাশেম, সদস্য সচিব ময়নুল হোসেন, ডবলমুরিং থানার ডেপুটি কমান্ডার মোঃ ইসমাইল কুতুবী, বীর মু্িক্তযোদ্ধা নুর আহমদ, ছৈয়দ আহমদ, শফিক আহমদ মুন্সি, ফারুক আহমদ, আবদুল আজিম, আবদুর রব খোকন, আবদুল লতিফ, মোঃ জাকারিয়া, এমএ মান্নান খান, মোঃ শাহ আলম, মোঃ সামশুল আলম, বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কাজী রাজিশ ইমরান, মিজানুর রহমান সজিব, আশরাফুল হক চৌধুরী, রিপন চৌধুরীসহ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চট্টগ্রাম মহানগর ও থানা কমান্ডের নেতৃবৃন্দ, বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, আত্মীয়-স্বজন ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা অংশ নেন।
এর আগে শনিবার ভোর সোয়া ৫টায় হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে আগ্রাবাদ সিডিএ আবাসিক এলাকার বাসায় মুক্তিযোদ্ধা আইয়ুব রানা ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি…….রাজিউন)। তার বয়স হয়েছিল ৬৮ বছর। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, তিন পুত্র, অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। মুক্তিযোদ্ধা আইয়ুব রানু তরুণ বয়সে কিছুদিন চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন।
একুশে/প্রেসবিজ্ঞপ্তি/এটি
