চবিতে বইমেলায় স্টল নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ


চবি প্রতিনিধি: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) চলমান বঙ্গবন্ধু বইমেলায় একটি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের স্টল নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে আয়োজক কর্তৃপক্ষ এ অভিযোগটি নাকচ করে দিয়েছে।

অভিযোগকারী প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান অক্ষরবৃত্ত প্রকাশনীর সত্ত্বাধিকারী আনিছ সুজন একুশে পত্রিকাকে বলেন, আমরা স্টল বরাদ্দের জন্য এক হাজার টাকা ফি দিয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বুদ্ধিজীবি চত্বরে একটি স্টল নিই। নিয়ম অনুযায়ী স্টলে দুটি টেবিল বরাদ্দ দেয়া হয়। আমরা সেভাবেই স্টলটি তৈরি করি। বইমেলায় প্রথম দুদিন স্টল ঠিক থাকলেও আজ তৃতীয়দিন এসে কর্তৃপক্ষ আমাদের স্টলের একটি টেবিল নিয়ে অন্য একটি স্টল এনে বসিয়ে দেয়।

তিনি বলেন, আয়োজক কর্তৃপক্ষ যতটুকু জায়গা দিয়েছে তাতেই আমাদের বইগুলো রাখতে কষ্ট হচ্ছিলো। তবুও আমরা নিয়ম মেনে বরাদ্দ অনুযায়ী স্টল সাজাই। কিন্তু আজ আমাদের কোন কিছু না বলেই কর্তৃপক্ষ আমাদের স্টলে অন্য একটি প্রতিষ্ঠানকে বসিয়ে দিলো, যা অত্যন্ত দুখঃজনক।

তিনি আরো বলেন, এমনটা হলে চট্টগ্রাম থেকে আমাদের এখানে আসার তো কোন মানে নেই। আমরা মৌখিকভাবে বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।

মোঃ জোহায়ের নামে অক্ষরবৃত্ত প্রকাশনের আরেক কর্মকর্তা বলেন, এমনটা হলে তো আমরা বইমেলায় আসতাম না। আমাদের হেনস্থ করার কোন মানে নেই। যদি কর্তৃপক্ষ কোন পদক্ষেপ গ্রহণ না করে আমরা বইমেলা ত্যাগ করবো।

এসব বিষয়ে মেলার সমন্বয়ক ও যোগাযোগ ও সাংবাদিতা বিভাগের অধ্যাপক মাধব দ্বীপ একুশে পত্রিকাকে বলেন, ওরা একটি স্টল বরাদ্দ নিয়েছিলো। একটি স্টলের মুখ ৮ ফুট করে। ওরা প্রথমদিন আসে নাই। দ্বিতীয়দিন আসলে এখন যেই স্টলটা আছে ওটা অন্য একটি প্রতিষ্ঠানের বরাদ্দ পাওয়ার কথা। ওই প্রতিষ্ঠানটির বই কম থাকায় অক্ষরবৃত্তকে এখানে দেওয়া হয়েছে। পরে আজকে ঢাকা থেকে আশ্চার্য প্রকাশন নামে আরেকটি প্রতিষ্ঠান আসায় আমরা ওদের স্টলটিকে ভাগ করে দেই।

তিনি বলেন, নিয়ম হচ্ছে আয়োজক কমিটির সব সিদ্ধান্ত মেনে নেয়া। ফর্মেও সেটা উল্লেখ আছে, তারা সেখানে সাক্ষর ও করেছে। বাইরের বড় স্টলগুলো তিন হাজার টাকা এবং ছোট স্টলগুলো এক হাজার টাকা। আমরা ওদের আগে তিন হাজার টাকার স্টলটা দিয়েছিলাম। এখন অন্য একটি প্রতিষ্ঠান আসায় তাদের বরাদ্দটুকু দিয়েছি।

তিনি আরো বলেন, এখানে কোন অনিয়ম করা হয়নি। বরং এখন স্টল ভাগ করে ঠিক কাজটাই করা হয়েছে।