সকালে সাতক্ষীরা বাগেরহাট দিয়ে বাংলাদেশে ফণী


ঢাকা : ভারতের ওড়িশ্যা ও কোলকাতায় তাণ্ডব চালিয়ে কিছুটা দুর্বল হয়ে শনিবার সকাল ৬টার সাতক্ষীরা, বাগেরহাট ও যশোর দিয়ে বাংলাদেশে ঢুকেছে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় ফণী।

ধেয়ে আসা এ ঘূর্ণিঝড় দিক পরিবর্তন হয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। ফলে এটি উপকূলীয় অঞ্চল দিয়ে আঘাত হানবে না। ঘূর্ণিঝড়টি দেশের মধ্যাঞ্চল দিয়ে আঘাত হানার আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

এটি বাংলাদেশে ৬ ঘণ্টা অবস্থান করতে পারে। এর পর এটি আবারও ভারতে প্রবেশ করবে।

বাংলাদেশে অবস্থানের সময় এটির গতিবেগ থাকবে ৬২ থেকে ৮৮ কিলোমিটার।

শনিবার সকালে আগারগাঁওয়ে আবহাওয়া অধিদফতর থেকে এসব তথ্য জানা যায়।

এতে বলা হয়, ঘূর্ণিঝড় ফনি তার দিক পরিবর্তন করেছে। এটি খুলনা, যশোর, সাতক্ষীরা, কুষ্টিয়া, নড়াইল, মেহেরপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী ও রংপুর হয়ে ভারত চলে যেতে পারে।

ফণীর আঘাতে বাংলাদেশের বিভিন্নস্থানে এখন পর্যন্ত ১৪ জন প্রাণ হারিয়েছেন বলে জানা গেছে।

শুক্রবার মধ্যরাত থেকে ফনির প্রভাবে রিাজধানীসহ সারাদেশে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি শুরু হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদফতরের পরিচালক শামছুদ্দীন আহমেদ সাংবাদিকদের জানান, ঘূর্ণিঝড় ফণী বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে নয়, দেশেল মধ্যাঞ্চলে আঘাত হানতে পারে।

এটি সাতক্ষীরার উত্তর দিয়ে যশোর, ঝিনাইদহ, রাজশাহী ও ময়মনসিংহের দক্ষিণ দিয়ে চলে যেতে পারে। এসব এলাকায় প্রবল বাতাস হতে পারে।

পশ্চিমবঙ্গ পেরিয়ে আসার পথে আরও দুর্বল হয়ে এই ঘূর্ণিঝড় শনিবার বেলা ১১-১২ টার মধ্যে বাংলাদেশ মধ্যাঞ্চলে পৌঁছাতে পারে বলে আবহাওয়াবিদদের ধারণা।