২৩ মে ২০১৯, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, বুধবার

পাসপোর্টের মেয়াদ ১০ বছর হচ্ছে

প্রকাশিতঃ বৃহস্পতিবার, মে ১৬, ২০১৯, ৪:০৯ অপরাহ্ণ

ঢাকা : বিদেশগামী শ্রমিকদের সুবিধার কথা ভেবে পাসপোর্টের মেয়াদ ৫ বছর থেকে বাড়িয়ে ১০ বছর করা হচ্ছে। এছাড়া আগামী জুলাই থেকেই দেশে ইলেকট্রনিক পাসপোর্ট (ই-পাসপোর্ট) চালু করতে যাচ্ছে সরকার।

গতকাল বুধবার (১৫ মে) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ তথ্য জানানো হয়।

বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি ফারুক খান সাংবাদিকদের বলেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এ বছরের মধ্যেই ১০ বছর মেয়াদী পাসপোর্ট চালু হবে। আর আগামী জুলাই থেকে ই-পাসপোর্ট দেওয়া শুরু হবে।

ই-পাসপোর্ট চালু হলে বিশ্বের যে কোনো স্থান হতে ওই পাসপোর্টধারীর নম্বর সার্চের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সব তথ্য পাওয়া যাবে।

২০১০ সালে আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার (আইসিএও) গাইডলাইন অনুযায়ী বাংলাদেশ মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (এমআরপি) ও মেশিন রিডেবল ভিসা (এমআরভি) পদ্ধতি চালু করে।

কিন্তু এমআরপি ব্যবস্থায় দশ আঙুলের ছাপ ডাটাবেজে সংরক্ষণ না থাকায় একাধিক পাসপোর্ট করার প্রবণতা ধরা পড়ে। এর ফলে ই-পাসপোর্টের প্রয়োজনীয়তা ব্যাপকভাবে অনুভব করে সরকার।

এই পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৬ সালের ২৪ এপ্রিল পাসপোর্ট সেবা সপ্তাহ উদ্বোধনের সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ই-পাসপোর্ট প্রবর্তনের নির্দেশ দেন। পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জার্মানি সফরের সময় ২০১৭ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি সে দেশের প্রতিষ্ঠান ভ্যারিডোস জিএমবিএইচ এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মধ্যে ই-পাসপোর্ট চালুর বিষয়ে একটি সমঝোতা চুক্তি হয়। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে সেই পাসপোর্টের সুবিধা ভোগ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশের মানুষ।

অবৈধভাবে ইতালি যাওয়ার পথে ভূমধ্য সাগরে নৌকা ডুবে নিহত বাংলাদেশিদের জন্য শোক প্রকাশ করা হয় সংসদীয় কমিটির বৈঠকে।
যেসব ‘দালাল চক্র’ মানব পাচারে জড়িত, তাদেরকে চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি আহত ও নিহতদের সহযোগিতা দেওয়ার সুপারিশ করা হয় বৈঠকে।

ফারুক খান বলেন,যারা অবৈধভাবে বিদেশ যাচ্ছে, তারা কোনো না কোনো রিক্রুটিং এজেন্সি বা ট্যুর এজেন্সির মাধ্যমে যাচ্ছে। সমন্বয় করে কাজ করলে কারা এই কাজের সঙ্গে জড়িত তা চিহ্নিত করা যাবে।

ফারুক খানের সভাপতিত্বে এ বৈঠকে কমিটির সদস্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আব্দুল মোমেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, নুরুল ইসলাম নাহিদ, আব্দুল মজিদ খান, নাহিম রাজ্জাক এবং নিজাম উদ্দিন জলিল (জন) অংশ নেন।

একুশে/ডেস্ক/এসসি