শিপমেন্টের কার্টনে পোশাকের বদলে জুট দিতো ওরা

চট্টগ্রাম : গার্মেন্টস’র তৈরিকৃত পোশাক বিদেশে শিপমেন্ট করার আগে কার্টন থেকে ওই পোশাক বের করে জুট দিয়ে কার্টন প্যাকিং করে যথাস্থানে পৌঁছে দিতো- এমন সংঘবদ্ধ চোর চক্রের ছয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে নগর গোয়েন্দা পুলিশ।

মঙ্গলবার (১৮ জুন) বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন আমিন জুট মিল্স উত্তর গেইট সংলগ্ন ২নং গলির মৃধাপাড়াস্থ হক ফুড এজেন্সী নামীয় পরিত্যক্ত গোডাউন থেকে ৪ হাজার ৩শ ২০ পিস চোরাই জ্যাকেটসহ তাদের গ্রেফতার করা হয়।

তারা হলেন- মো. সাহাদাত হোসেন (২৮), মো. ওবায়দুল হক (৩৭), মো. সোহাগ হোসেন (৩২), মো. সিরাজ মিয়া (২৮), ড্রাইভার রুবেল হোসেন (২২) ও মো. সুমন (৩০)।

গ্রেফতারকৃত আসামিরা নগরের বায়েজিদ, ডবলমুরিং বন্দর ও ইপিজেড থানা এলাকার বাসিন্দা বলে জানায় পুলিশ।

চট্টগ্রাম মহানগর গোয়েন্দা (উত্তর) বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. মিজানুর রহমান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে চোরাই জ্যাকেটসহ তাদের আটক করা হয়েছে। উদ্ধার করা জ্যাকেটগুলো নগরের চাক্তাই এলাকার ডীপস অ্যাপরেলস নামের একটি পোশাক কারখানায় তৈরি করা হয়েছিল ফ্রান্সে রপ্তানির জন্য।

মিজানুর রহমান আরো বলেন, সোমবার রাতে কারখানা থেকে ৮টি কভার্ড ভ্যানে করে জ্যাকেটগুলো রপ্তানির জন্য ইসহাক ব্রাদার্সের ডিপোতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। ৭টি কভার্ড ভ্যান ঠিক সময়ে ডিপোতে পৌঁছালেও ১টি পৌঁছায়নি। পরে অভিযোগ পেয়ে গোয়েন্দা পুলিশ অভিযানে নামে।

আসামিরা জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে গার্মেন্টেসে তৈরি বিভিন্ন ধরনের পোশাক বিদেশে শিপমেন্ট করার আগে চক্রটি গাড়ি চালকের সাহযোগিতায় অন্য স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে কার্টন থেকে পোশাক বের ঝুট কিংবা অন্যকিছু দিয়ে ফের কার্টন প্যাকিং করে যথাস্থানে পৌঁছে দেয়।

একুশে/এসসি