সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯, ২ পৌষ ১৪২৬

চট্টগ্রামে বাড়তি ভাড়া রোধে ম্যাজিস্ট্রেটের অভিযান, জরিমানা

প্রকাশিতঃ রবিবার, আগস্ট ৪, ২০১৯, ৭:৩২ অপরাহ্ণ


চট্টগ্রাম: আসন্ন ঈদকে কেন্দ্র করে বাড়তি ভাড়া নেয়ার অভিযোগে দূরপাল্লার কাউন্টারগুলোতে অভিযান চালিয়েছেন বিআরটিএ’র নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস এম মনজুরুল হক।

রোববার চট্টগ্রামের বিআরটিসি, অলংকার ও ভাটিয়ারীর কাউন্টারগুলোতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে ঈদের অগ্রিম টিকেটে সরকার নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বাড়তি ভাড়া নেয়ায় তিনটি পরিবহনকে মোট ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

নগরীর বিআরটিসি কাউন্টারে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে হানিফ পরিবহনে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন গন্তব্যে সরকার নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে ২০০ থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি ভাড়া নেয়া হচ্ছে।

ভ্রাম্যমাণ আদালত চলাকালীন আফতাব নামে এক যাত্রী অভিযোগ করেন, তার কাছ ৬ আগস্ট তারিখের চট্টগ্রাম থেকে দিনাজপুরের ভাড়া ১ হাজার ৪০০ টাকা নেয়া হলেও টিকেটে উল্লেখ করা হয় ১ হাজার ৩০০ টাকা। টিকেটের বাড়তি দাম রাখা ও বাড়তি টাকা নিয়ে টিকেটে কম উল্লেখ করার অপরাধে হানিফ পরিবহনকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

অপরদিকে ভাটিয়ারীর কাউন্টারগুলোতে অভিযান চালিয়ে সেখানকার কয়েকটি কাউন্টারেও বাড়তি ভাড়া নেয়ার অভিযোগ পাওয়া যায়। ইউসুফ নামে এক যাত্রী মোবাইল কোর্টে অভিযোগ করেন, তিনি সিডিএম ট্রাভেলস থেকে ৭ আগস্টের যশোরের টিকেট করেন। কিন্তু তার কাছ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা টিকেটের দাম রাখে, যা নিয়মিত ভাড়ার চেয়ে অনেক বেশি। এ অপরাধে উক্ত পরিবহনকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

একই স্থানের নাটোরগামী নাভিলা পরিবহন ঈদের অগ্রিম টিকেটের দাম রাখছে ১৪০০ টাকা করে। বাড়তি ভাড়া নেয়ার অপরাধে নাভিলা পরিবহনকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

বিআরটিএ’র নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস এম মনজুরুল হক বলেন, বিআরটিসি, অলংকার ও ভাটিয়ারীর সবগুলো কাউন্টারগুলোকে ঈদকে কেন্দ্র করে সরকার-নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বাড়তি ভাড়া না রাখতে সতর্ক করে দেয়া হয়। চট্টগ্রামের কাউন্টারগুলোতে নিয়মিত এ অভিযান চলবে।

মহান বিজয় দিবস ২০১৯ উপলক্ষে একুশে পত্রিকা কর্তৃক একটি বিশেষ সংখ্যা প্রকাশের উদ্যেগকে স্বাগত জানাই। বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের পক্ষ হতে উক্ত প্রকাশনার সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে জানাই-

বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা

একটি সুখী, সমৃদ্ধ, ক্ষুধা ও দারিদ্র স্বপ্নীল ও ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার এবং সন্ত্রাসমুক্ত পরিবেশ প্রতিষ্টার প্রত্যয় নিয়ে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ নিজস্ব উন্নয়ন কর্মসূচি এবং ২৮ টি ন্যস্ত বিভাগের বিভাগীয় কার্যক্রমের সমন্বয় সাধনসহ নিম্নবর্ণিত কার্যদি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছেঃ

১) শিক্ষা
২) স্বাস্থ্য সেবা
৩) কৃষি
৪) মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ
৫) ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প
৬) যোগাযোগ
৭) পানীয় জল ও স্যানিটেশন
৮) সমবায় ও সমাজ সেবা কার্যক্রম
৯) ক্রীড়া ও সংস্কৃতি কর্মকান্ড
১০) স্থানীয় পর্যটন
১১) আইসিটি সেক্টর উন্নয়ন এবং
১২) মানব সম্পদ উন্নয়ন ইত্যাদি।

একটি উন্নত, সমৃদ্ধ, আধুনিক ও সম্প্রীতিত মডেল জেলা হিসেবে বান্দরবানকে গড়ে তোলাই হলো আমাদের দৃঢ় অঙ্গীকার-

ক্য শৈ হ্লা
চেয়ারম্যান
বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ
বান্দরবানান