সোমবার, ২১ অক্টোবর ২০১৯, ৬ কার্তিক ১৪২৬

সরকারি কাজে ইটের পরিবর্তে ব্লক ব্যবহারের সিদ্ধান্ত

প্রকাশিতঃ সোমবার, আগস্ট ৫, ২০১৯, ৫:০৭ অপরাহ্ণ

ঢাকা : সরকারি কাজে ইটের ব্যবহার না করে ব্লক ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সরকারি নির্মাণ, মেরামত ও সংস্কার কাজে ইটের ব্যবহার সম্পূর্ণ বন্ধ করার জন্য চলতি অর্থবছরের (২০১৯-২০) টেন্ডার ডকুমেন্টসে ব্লক ব্যবহারের হার ১০ শতাংশ, ২০২০-২১ অর্থবছরে ২০ শতাংশ, ২০২১-২২ অর্থবছরে ৩০ শতাংশ, ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৬০ শতাংশ, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ২৪ শতাংশ এবং ২০২৪-২৫ অর্থবছরে শতভাগ নির্ধারণ করা হয়েছে।

সোমবার (৫ আগস্ট) পরিবেশ সংরক্ষণের লক্ষ্যে পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

সভায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরের মধ্যে ইটের ব্যবহার বন্ধ করে ব্লকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের বিষয়ে সুপারিশ দিতে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, হাউজিং অ্যান্ড বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউট, স্থাপত্য অধিদফতরের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি কারিগরি কমিটি গঠন করা হয়।

সভায় জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কাউন্সিলের ২০১৭ সালের ৬ সেপ্টেম্বরের সভায় প্রচলিত ইটের পরিবর্তে হাউজিং অ্যান্ড বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউটের উদ্ভাবিত কংক্রিট ব্লকের ব্যবহার বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত হয়। সার্বিক বিবেচনায় ‘ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ)(সংশোধন) আইন, ২০১৯’ বিধান রাখা হয়েছে যে- ইটের কাঁচামাল হিসেবে মাটির ব্যবহার কমানোর জন্য সরকার গেজেটে প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে ইটভাটায় উৎপাদিত সব ধরনের ইটের একটি নির্দিষ্ট হারে ছিদ্রযুক্ত ইট ও ব্লক প্রস্তুতের জন্য নির্দেশনা জারি করতে পারবে।

এছাড়া মাটির ব্যবহার কমানোর উদ্দেশে সরকার গেজেট প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ইটের বিকল্প ব্যবহার হিসেবে ব্লক উৎপাদন ও ব্যবহার বাধ্যতামূলক করতে পারবে বলেও আইনে উল্লেখ করা হয়েছে।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিনের সভাপতিত্বে সভায় স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম, পরিবেশ ও বন উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার, পরিবেশ ও বন সচিব আবদুল্লাহ আল মোহসীন চৌধুরীসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

একুশে/এসসি