
ঢাকা : নকশা জালিয়াতির মামলায় এফআর টাওয়ারের মালিক এসএসএইআই ফারুককে গ্রেফতার করেছে দুদক। এর আগে দুদক উপপরিচালক আবু বকর সিদ্দিকের নেতৃত্বে একটি টিম একই মামলায় টাওয়ারের তিন ফ্রোরের মালিক কাসেম ড্রাইসেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বিএনপি নেতা তাসভীর-উল ইসলামকে গ্রেফতার করে।
নকশা জালিয়াতির মাধ্যমে এফআর টাওয়ারের কয়েকটি তলা বাড়ানোর অভিযোগে ২৫ জুন তাসভীরসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে দুটি মামলা করে দুদক। এক মামলায় রাজউকের ভুয়া ছাড়পত্রের মাধ্যমে এফআর টাওয়ারকে ১৯ তলা থেকে বাড়িয়ে ২৩ তলা করা, ওপরের ফ্লোরগুলো বন্ধক দেয়া ও বিক্রি করার অভিযোগে ২০ জনকে আসামি করা হয়।
সোমবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে গুলশান-২ থেকে দুদকের উপপরিচালক আবু বকর সিদ্দিক তাকে গ্রেফতার করেন। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এ মামলার আসামির তালিকায় তাসভীর ছাড়াও এফআর টাওয়ারের মালিক এসএমএইচআই ফারুক ও রূপায়ণ গ্রুপের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী খান মুকুলের নাম রয়েছে। তাসভীরের কোম্পানি ওই ভবনের ২১, ২২ ও ২৩ তলার মালিক।
মামলায় রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান কেএএম হারুন, সাবেক সদস্য রেজাউল করিম তরফদার, সাবেক পরিচালক শামসুল আলম, বর্তমান তত্ত্বাবধায়ক মোফাজ্জল হোসেন, সহকারী পরিচালক শাহ মো. সদরুল আলম, সাবেক প্রধান ইমারত পরিদর্শক মাহবুব হোসেন সরকার, সাবেক ইমারত পরিদর্শক আওরঙ্গজেব সিদ্দিকী, সহকারী অথরাইজড অফিসার নজরুল ইসলাম, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক জাহানারা বেগম, সহকারী পরিচালক মেহেদউজ্জামান, নিম্নমান সহকারী মজিবুর রহমান মোল্লা ও অফিস সহকারী এনামুল হককেও আসামি করা হয়েছে।
গত ২৮ মার্চ এফআর টাওয়ারে আগুনের ঘটনায় ২৬ জন নিহত হন। এর পর ভবনটি নির্মাণে ত্রুটি, নকশা জালিয়াতি, অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রমাণ পায় দুদক।
একুশে/এসসি
