মঙ্গলবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২ আশ্বিন ১৪২৬

কিছু দেশি-বিদেশি এনজিও রোহিঙ্গাদের উসকানি দিচ্ছে : তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশিতঃ শুক্রবার, আগস্ট ২৩, ২০১৯, ৮:৪২ অপরাহ্ণ

চট্টগ্রাম : কিছু দেশি-বিদেশি এনজিও মিয়ানমারে ফেরৎ না যেতে রোহিঙ্গাদের উসকানি দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। একই সঙ্গে যারা এই কাজ করছে তাদের চিহ্নিত করা হবে এবং অচিরেই রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে আবারও উদ্যোগ নেয়া হবে বলেও জানান মন্ত্রী।

শুক্রবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম জেএমসেন হলে জাতীয় শ্রীশ্রী জন্মাষ্টমী উৎসব উদযাপন পরিষদের ধর্ম মহাসম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তৃতা শেষে সাংবাদকিদের এক প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ’মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মানবিক কারণে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছেন। তাদেরকে নিজ দেশে ফেরৎ পাঠানোর ব্যাপারে সরকার সবধরনের কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। এক্ষেত্রে চীন ও ভারত আমাদেরকে সহযোগিতা করছে। তাদের সহযোগিতায় রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের জন্য যখন দিনক্ষণ ঠিক হলো তখন কিছু দেশি-বিদেশি এনজিও তাদের প্ররোচনা দিচ্ছে মিয়ানমারে ফেরৎ না যাওয়ার জন্য।‘

’এটা ঠিক, রোহিঙ্গাদের মাঝে আস্থার সঙ্কট আছে। রোহিঙ্গারা যাতে মিয়ানমারে ফেরৎ যেতে আস্থাশীল হয় সেই কাজটি মিয়ানমারকেই করতে হবে।’ যোগ করেন তথ্যমন্ত্রী।

’রোহিঙ্গাদের জন্য ফান্ড এনে সেই ফান্ডে কিছু এনজিও ঋষ্টপুষ্ট হচ্ছে। কক্সবাজার গেলে দেখবেন সেখানে শত শত দামি গাড়ি। মাসের পর মাস নামিদামি হোটেল ভাড়া করে দেশি-বিদেশি এনজিও কর্মকর্তারা সেখানে অবস্থান করছেন।’-বলেন ড. হাছান মাহমুদ।

মন্ত্রী বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মানবিক দিক বিবেচনায় ১১ লক্ষ রোহিঙ্গাকে কক্সবাজারে আশ্রয় দিয়েছিলেন। এরপর রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে আরও ১ লক্ষ শিশুর জন্ম হয়েছে। বর্তমানে ১২ লক্ষেরও বেশি রোহিঙ্গা সেখানে। স্থানীয় বাসিন্দারা আজ সেখানে সংখ্যালঘু। রোহিঙ্গারা ইয়াবা, মাদকসহ নানা অপরাধের সঙ্গে জড়িয়ে যাচ্ছে। আর কতিপয় এনজিও সেই রোহিঙ্গাদের প্ররোচনা দিচ্ছে মিয়ানমারে ফিরে না যেতে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, গতকালও (বৃহস্পতিবার) রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের আগে এনজিওদের একটি অ্যালায়েন্স বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে মিয়ানমারে ফিরে যাওয়ার পরিবেশ এখনো সৃষ্টি হয়নি। যারা নিজেদের স্বার্থে রোহিঙ্গাদের উসকানি দিচ্ছে তাদের চিহ্নিত করা হবে বলেও মন্ত্রী উল্লেখ করেন। এসময় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আবারও উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে বলে জানান মন্ত্রী।

একুশে/এসআর/এটি